দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালিতে যাওয়ার পথে ঢাবি ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় মামলা করেছেন অপহৃত দীপিতার বাবা স্মৃতেন্দু বিকাশ চাকমা।
বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সাজেক থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
এদিকে এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সাজেক থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামির নাম দনপ্রিয় চাকমা (২৮)। তিনি সাজেক ইউনিয়নের দাঁড়িপাড়া গ্রামের বেংগো চাকমার ছেলে বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, খাগড়াছড়ি সদরের স্মৃতেন্দু বিকাশ চাকমা ও শ্রীলা তালুকদারের মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের স্নাতকোত্তর ছাত্রী দীপিতা চাকমা (২৫)। গত মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ মোট ৩৬ জনের সঙ্গে সাজেকে শিক্ষা সফরের উদ্দেশে রওয়ানা করেন দীপিতা। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি সদর থেকে চাঁদের গাড়িতে করে সাজেক ভ্যালিতে যাওয়ার পথে দুপুরে সাজেক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিজকছড়া তিন রাস্তার জিরো পয়েন্ট এলাকায় গাড়িতে থাকা একমাত্র আদিবাসী শিক্ষার্থী দীপিতা চাকমাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে ভারত সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
অপহরণের সংবাদটি জানাজানি হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে অপহরণের ছয় ঘণ্টা পর বুধবার রাতেই ভারত সীমান্তবর্তী বনোআদম এলাকা থেকে দীপিতা চাকমাকে উদ্ধার করে। এই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সাজেক থানায় মামলা দায়ের করেন দীপিতার বাবা স্মৃতেন্দু বিকাশ চাকমা। পরে ওই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে সাজেক থানা পুলিশ।
সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হক বলেন, বুধবার ঢাবি ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় আমরা সাজেক থানা ও রাঙামাটি জেলা পুলিশের কয়েকটি টিম একযোগে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই। অপহরণে জড়িত থাকার জন্য দনপ্রিয় চাকমা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহরণে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও আমরা জব্দ করেছি। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
জেবি