দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রজনন মৌসুম শেষে এবার ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে রূপালি ইলিশ। ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে কক্সবাজার ফিশারি ঘাটে ফিরছেন জেলেরা। প্রায় প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার ইলিশ ধরা পড়ছে কক্সবাজারে। পাশাপাশি ধরা পড়ছে অন্যান্য নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছও। কিন্তু এত ইলিশ ধরা পড়লেও বাজারে দাম কমছে না।
এর কারণ হিসাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, দাদন ব্যবসায়ীদের খপ্পর থেকে ট্রলারমালিকদের মুক্ত হতে না পারা এবং ঢাকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা বলছেন কক্সবাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী, ট্রলারমালিক, মৎস্য কর্মকর্তা ও ভোক্তারা।
মঙ্গলবার ইলিশভর্তি ১২-১৫টি কক্সবাজার শহরের ফিশারিঘাটে বাঁকখালী নদীতে ভেড়ে। সেখান থেকে ডিঙিনৌকায় ভরে ইলিশ বাজারে নিয়ে আসেন। পাইকারি বাজারে ৯০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের প্রতিটি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। আর ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা ও ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায়।
কিন্তু সাধারণের কাছে যেতে যেতে সেই ইলিশের দাম আরও বেড়ে যাচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বছর খানেক আগেও এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। দালাল চক্র এবং মধ্যস্বত্বভোগীরা অতিরিক্ত লাভ করতে ইলিশের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন।
তবে ব্যবসায়ীদের মতে, দাদন ব্যবসায়ীদের খপ্পড় থেকে ট্রলারমালিকদের মুক্ত কিংবা ট্রলার থেকে আহরিত ইলিশ সরাসরি বাজারে পৌঁছানো গেলে দাম অর্ধেক কমবে। কক্সবাজার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন বলেন, প্রচুর ইলিশ ধরা পড়লেও দাম তুলনামূলক বেশি। তবে কিছুদিন পরে ইলিশের দাম কমবে বলে তিনি জানান।
ইলিশ চাষে কারও বিনিয়োগ করতে হয় না। জাল ফেললেই ধরা পড়ছে হাজার হাজার ইলিশ। আবার এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ ৬০০ টাকা বিক্রি করলেও লাভ থাকে। তারপরও কেন ৬০০ টাকার ইলিশ ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, তা বোধগম্য হচ্ছে না বলে জানান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ (ক্যাব) কক্সবাজার জেলা সভাপতি ফজলুল কাদের চৌধুরী।
আরএ