দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরিশালে এক আওয়ামী লীগ নেতার ব্যক্তিগত অফিস থেকে সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর ছবি নামনো হয়। এ ঘটনায় ওই নেতাকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে ভিডিও ধারণ ও মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধরের শিকার এই আওয়ামী লীগ নেতা পেশায় এক ব্যবসায়ী। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) আরাফাত হাসান। তিনি জানান, মামলা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভুক্তভোগী এই নেতার নাম মনিরুজ্জামান খান বাচ্চু। তিনি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
মনিরুজ্জামান জানান, বরিশালের ১১ নং ওয়ার্ড বান্দ রোডে সোনার বাংলা মটরস নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। ২২ আগস্ট মোবাইলে তাকে শহীদ রহিম স্মৃতি পাঠাগার ক্লাবের পশ্চিম পাশের কক্ষে ডেকে নেওয়া হয়। বিকেল ৩টার দিকে সেখানে যাওয়ার সাথে সাথে রুম আটকে ওখানে থাকা সাব্বির, আব্দুল, কাওছার, সোহাগ মারধর শুরু করে। এরমধ্যে একজন বিএনপির সমর্থক ও বাকি চারজন সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারি।
তিনি আরও বলেন, আমাকে হেনস্থা করার জন্য কাওছার জুতার মালা বানিয়ে দেয় আর সোহাগ আমার গলায় পরিয়ে দেয়। আমি দুই-তিনবার ফেলে দেই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে আরও মারধর করে। শেষে আমি জ্ঞান হারালে গলায় জুতার মালা পরিয়ে চেয়ারে বসিয়ে ভিডিও করে।
জানা যায়, আওয়ামী লীগের এই নেতার ব্যক্তিগত অফিস থেকে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর ছবি নামিয়ে রাখা হয়। কাজটি তিনি করনেনি বললে তারা অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এক পর্যায়ে তাদের শেখানো কথা বলতে বাধ্য করানো হয় যে তিনিই ছবি নামিয়েছেন এবং অন্যায় করেছেন।
মামলার আসামি ও ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত নাজমুল হাসান ওরফে মঈন জমাদ্দার সাংবাদিকদের জানান, মনিরুজ্জামান খান বাচ্চুর ভিডিও তিনি ধারণ করেছেন এবং ছাড়িয়েছেন। এ ঘটনায় ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, ওখানে সাদিক আব্দুল্লাহর নাম বলাটাও তার উচিত হয়নি। এজন্য সাদিক ভাইও আমার ওপরে খুব ক্ষিপ্ত হয়েছেন।
এফএইচ