দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রথম স্ত্রীকে সঙ্গে রেখে আপন শ্যালিকাকে বিয়ে করে আলোচনায় আসা নওগাঁর মাসুদকে আইনগতভাবে তালাক দিয়েছেন দ্বিতীয় স্ত্রী পূর্ণিমা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ফেসবুকে তালাকনামার ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি জানান মাসুদ। একই সঙ্গে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের ভুলের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান তিনি।
লাইভে মাসুদ বলেন, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একই সঙ্গে দুই বোনকে বিয়ে করা জায়েজ নয় এ বিষয়টি তাদের জানা ছিল না। না বুঝে তারা ভুল করেছেন এবং সেই ভুল সংশোধন করেছেন। এ ঘটনায় অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হওয়ার কথাও জানান তিনি।
মাসুদ আরও বলেন, পূর্ণিমা তাকে আইনগতভাবে তালাক দিয়েছেন। বর্তমানে তাঁর প্রথম স্ত্রী মৌসুমীই তার সঙ্গে রয়েছেন। এ ঘটনায় আর কাউকে যেন সামাজিকভাবে হেয় করা না হয়, সে জন্য নেটিজেনদের কাছে সংশ্লিষ্ট পোস্ট না করার অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে পরিবারসহ সবার কাছে ক্ষমা চান।
এর আগে, গত ২৪ অক্টোবর নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজি বিরামগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ও আইনজীবীর সহকারী মাসুদ প্রথম স্ত্রী মৌসুমীর উপস্থিতিতে তার আপন ছোট বোন পূর্ণিমাকে বিয়ে করেন। পরদিন দুই স্ত্রীকে নিয়ে ছবি ও টিকটক ভিডিও প্রকাশ করলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।
গত ২৬ অক্টোবর রাতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন মাসুদকে মুখে চুন-কালি মাখিয়ে এলাকা থেকে বের করে দেন। পরদিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মাসুদের শ্বশুরবাড়ির উঠানে সালিশ বৈঠক হয়। সেখানে গ্রামবাসীর সামনে মাসুদের শ্বশুর মান্নান সাপুরে ও তার ছোট মেয়ে পূর্ণিমা হাত জোড় করে ক্ষমা চান।
একই দিন ফেসবুক লাইভে এসে মাসুদও নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং দ্বিতীয় স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার কথা জানান। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার পূর্ণিমা তাঁকে আইনগতভাবে তালাক দেন।
যে আই