দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যশোর জেলা ছাত্রলীগের বিশেষ প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত না থাকায় ১১ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাতে জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক তানজীব নওশাদ পল্লবের স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত শোকজ নোটিশের জবাব স্বশরীরে দিতে বলা হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া ১১ নেতা হলেন–জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন, শাহাদাৎ হোসেন রনি হাওলাদার, কায়েস আহমেদ রিমু, আব্দুর রউফ পিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাতুজ্জামান রিফাত, আসাদুজ্জামান আসাদ, আশিকুর রহমান হৃদয়, মাসুদ হাসান কৌশিক, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, রাকিবুল আলম, ফাহমিদ হুদা বিজয়।
জানা যায়, আগামী ১ সেপ্টেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ স্মরণকালের ছাত্রসমাবেশ করবে। এ উপলক্ষে শুক্রবার বিকালে যশোর শহরের গাড়িখানাস্থ জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভার আয়োজন করে জেলা ছাত্রলীগ। এতে জেলার আট উপজেলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কলেজের ২৮টি ইউনিটের মধ্যে বেশির ভাগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন না জেলা ছাত্রলীগের ১১ জন পদধারী নেতা। ফলে সেই ১১ জনকে নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
শোকজ হওয়া ছাত্রলীগ নেতাদের অভিযোগ, ২০২১ সালের ৫ জুলাই থেকে জেলার সভাপতি পিয়াস ও সাধারণ সম্পাদক পল্লব দায়িত্ব পালনকালে পদে পদে গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করছেন। কমিটি গঠন থেকে শুরু করে সংগঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব প্রক্রিয়ায় কমিটিকে যুক্ত করার পরিবর্তে সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন দু’জন মিলে। সংগঠন পরিচালনায় তাদের চরম স্বেচ্ছাচারিতায় ২৩ সদস্যের কমিটিকে একসাথে করতে পারেনি। তাদের সাংগঠনিক অক্ষমতায় ইতোমধ্যে অনেকগুলো উপগ্রুপে বিভক্ত হয়েছে। ফলে সংগঠনে বিরাজ করছে চরম বিশৃঙ্খলা। আবার অনেকেই কাঙ্খিত পদে বসতে না পারায় পদ ব্যবহারও করেন না; একই সাথে দলীয় কর্মসূচি অংশও নেন না।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ইমরান হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বর্ধিত সভার কোন চিঠি পায়নি। জেলার সভাপতি সম্পাদক সাংগঠনিক কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় নেই। তাদের দুইজনের একক সিন্ধান্তে প্রেস রিলিস কমিটি দেয় আবার তুলেও নেই। সভাপতি সম্পাদক স্বেচ্ছাচারিতায় সাংগঠনিক কোনো কার্যক্রম নেই। এই দুইজন যে কয়েকটা কমিটি দিয়েছে সাংগঠনিক কমিটির সঙ্গে আলোচনা করেনি অছাত্র জামাত বিএনপি পরিবারের লোকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে। কোন সাংগঠনিক কাজে কাউকে ডাকে না। তার পরেও শুনেছিলাম বর্ধিত সভা সম্পর্কে; তবে যায়নি তাদের স্বেচ্ছাচারিতায় কারণে। তিনি বলেন, শোকজ করেছে, শোকজের জবাব দেব কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে। জেলার সভাপতি সম্পাদক কাছে দিবো না।
জেবি