দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ছয়জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সরাইল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী কিশোরী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িউড়া উত্তরপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে ওয়াজ মাহফিল শুনতে একই গ্রামের সিরাজুল উলুম মাদ্রাসায় যাচ্ছিল কিশোরীটি। পথে একই গ্রামের জাকির (৩৩), নাঈম (২৪), সোহাগ মিয়া (২১), মোকলেস (৩৫), আলামিন ওরফে জিকির (৪০) ও বাহার মিয়া (২২) তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে তাকে গ্রামের নদীতীরবর্তী একটি নির্জন স্থানে নিয়ে জাকির, নাঈম ও সোহাগ ধর্ষণ করে। অন্য তিনজনও ধর্ষণের চেষ্টা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে রাত ১১টার দিকে কিশোরীকে তার বাড়ির পাশে রেখে যায় অভিযুক্তরা। এ সময় কাউকে কিছু জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
কিশোরীর বাবা জানান, ঘটনার কয়েক দিন পর তাঁর মেয়ে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। পরে গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসী স্থানীয়ভাবে বিচারের আশ্বাস দেন। তবে কোনো সুরাহা না হওয়ায় শনিবার রাতে তাঁরা থানায় মামলা করেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ছয়জনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বাহার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্তও অব্যাহত রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক রতন কুমার ঢালী বলেন, ঘটনার বেশ কয়েক দিন পর কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এতে আলামত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
এমএস/