দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয়, এরপর প্রেম। সেই সম্পর্কের টানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় এসেছেন দুই সহোদর। তাঁদের একজনের সঙ্গে স্থানীয় এক তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। দুই পরিবারের সম্মতিতে এখন চলছে বিয়ের প্রস্তুতি। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামে সানোয়ার হোসেনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে অবস্থান করছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুর এলাকার বাসিন্দা ফারুক চাপরাশি ও তাঁর ভাই মুর্শিদ চাপরাশি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিনপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে পূর্ণিমার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় ফারুক চাপরাশির। নিয়মিত যোগাযোগের একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্ককে বিয়ের মাধ্যমে পরিণতি দিতে গত ৮ অক্টোবর ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসায় বাংলাদেশে আসেন ফারুক ও তাঁর ভাই মুর্শিদ। এরপর থেকে তাঁরা কালাইয়ের জমিনপুর গ্রামে পূর্ণিমার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
দুই ভারতীয় যুবকের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের দেখতে ওই বাড়িতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। সীমান্ত পেরিয়ে প্রেমের সম্পর্কের এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
পূর্ণিমার বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমান সময়ে ছেলে-মেয়েরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ায়। ফারুক ও তাঁর বড় ভাই গত ৮ অক্টোবর পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে তাঁদের বাড়িতে এসেছেন। তাঁরাও ভারতে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট ও ভিসার ব্যবস্থা করছেন। ভিসা হয়ে গেলে ভারতে গিয়ে ফারুকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের আয়োজন করা হবে।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম জানান, বিষয়টি জানার পর পুলিশ খোঁজখবর নিয়েছে। ভারতের ওই দুই যুবক বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে আইনসম্মতভাবে বাংলাদেশে এসেছেন। বৈধভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে আসার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা নেই বলেও জানান তিনি।
এমএস/