দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়ার খোকসায় রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মসংলগ্ন জায়গায় রেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। মসজিদের খরচ চালানোর কথা বলে দোকানটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এ ঘটনায় খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও শোমসপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাজল মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি খোকসা রেলস্টেশন জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের বেলায় নির্মাণকাজ বন্ধ থাকলেও রাতের আঁধারে ধীরে ধীরে দোকানঘরটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এর প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। মসজিদের খরচ মেটানোর কথা বলে দোকানটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রচার রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা ভাড়ার কথা বলে ইতোমধ্যে এক দোকানির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জামানত নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, মসজিদের নাম ব্যবহার করে রেলের জায়গা দখল করে ব্যক্তিগতভাবে দোকান ভাড়া দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলস্টেশন এলাকার চা বিক্রেতা লিয়াকত আলী বলেন, এখানে রেলের জায়গায় দোকান হচ্ছে। আমরা শুনেছি মসজিদের নামে। প্ল্যাটফর্মের পাশে দোকান হলে যাত্রীদের চলাচলে সমস্যা হবে।
খোকসা রেলস্টেশন জামে মসজিদের মুয়াজ্জেম মাহবুবুর রহমান মজিদ বলেন, মসজিদের খরচের কথা বলে দোকান তোলা হচ্ছে, এটা সত্য।
প্ল্যাটফর্ম ঘেঁষে দোকান নির্মাণ করা হলে যাত্রীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। যাত্রী আব্দুল হামিদ বলেন, অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ হলে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়বে। জায়গাটি ফাঁকা থাকলে যাত্রীদের চলাচলে সুবিধা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে কাজল মজুমদার বলেন, ৩০ বছর আগে সেখানে দোকানঘর ছিল। সেটি ভেঙে মসজিদের বাথরুম করা হয়েছে। সেখানে এখন আবার মসজিদের খরচ চালানোর জন্য মসজিদ কমিটি দোকানঘর নির্মাণ করছে। এখানে আমার কিছু নেই।
খোকসা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার সুজন সরকার বলেন, ‘রেলের অনুমতি ছাড়াই মসজিদের কথা বলে দোকান নির্মাণের কাজ চলছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে নির্মাণাধীন দোকানসহ খোকসা রেলস্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন পাকশী রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পাকশী রেলওয়ে বিভাগের প্রধান পরিচালন ব্যবস্থাপক মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। অনুমতি ছাড়া রেলের জায়গায় কোনো স্থাপনা করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই