দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে নওগাঁয় তিনটি কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উদ্ভাবনের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি-প্রশিকা প্রকল্পের আওতায় এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁর রুমিয়া পেশাগত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কর্মসূচিটির নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।
প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো হলো খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুত, বেকারি ও পেস্ট্রি তৈরি এবং সৌন্দর্যচর্চা। আয়োজকদের ভাষ্য, শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা হাতে-কলমে কাজ শেখার পাশাপাশি চাকরি, আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাবেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর তরুণদের বাজারমুখী প্রশিক্ষণের আওতায় আনা গেলে তাদের দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে চাকরি ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতাও কমবে।
প্রধান অতিথি মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, শুধু প্রশিক্ষণ দিলেই হবে না, প্রশিক্ষণার্থীরা যাতে প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। প্রশিক্ষণের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সংযোগ তৈরি করা গেলে এর সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে।
তিনি আরও বলেন, চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে তারা নিজেদের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কর্মসূচিটির যুগ্মসচিব ও উপ-নির্বাহী পরিচালক মাইনুল হাসান, যুগ্মসচিব ও সহকারী নির্বাহী পরিচালক নূরউদ্দিন আল ফারুক এবং যুগ্মসচিব ও সহকারী নির্বাহী পরিচালক ভূঁঞা মোহাম্মদ রেজাউর রহমান ছিদ্দিকী। উপস্থিত ছিলেন প্রকল্পটির অর্থ ও ক্রয়বিষয়ক সমন্বয়কারী গোলাম রাব্বি।
এ ছাড়া রুমিয়া পেশাগত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনতারা ফাহমিদা, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সূভাষ চন্দ্র হেমব্রম, নাটোর জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী রঘুনাথ এক্কা এবং মহাদেবপুর উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী যোগেশ ওরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রুমিয়া পেশাগত প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা ডা. মো. ময়নুল হক।
আয়োজকরা জানান, খাদ্য ও পানীয় প্রস্তুত প্রশিক্ষণে খাদ্য ও পানীয় তৈরি এবং পরিবেশনের বিভিন্ন বিষয়ে, বেকারি ও পেস্ট্রি তৈরি প্রশিক্ষণে বেকারি ও পেস্ট্রি তৈরির ব্যবহারিক দক্ষতা এবং সৌন্দর্যচর্চা প্রশিক্ষণে সৌন্দর্যচর্চা ও সংশ্লিষ্ট পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে তরুণদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করা সম্ভব। বিশেষ করে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর তরুণদের এমন প্রশিক্ষণের আওতায় এনে তাদের দক্ষতা ও আয় করার সক্ষমতা বাড়ানো গেলে তা স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
যে আই