দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর উত্তরায় ছয়তলা একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে একই পরিবারের তিনজনকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। তারা ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যুতে ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
নিহতরা হলেন ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হারেছ উদ্দিন (৪৭), তাঁর ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) এবং ছোট ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫)। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় শোক ও আহাজারির পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান, কাজের সন্ধানে ১৯৯৪ সালে হারেছ উদ্দিন ও তাঁর ভাই শহীদুল ইসলাম ঢাকায় যান। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা পরিবারসহ উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের ৩৪ নম্বর বাড়ির পাঁচ তলায় বসবাস করছিলেন। দুই ভাই উত্তরা জমজম এলাকায় ফলের ব্যবসা করতেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে হারেছ উদ্দিন, তাঁর ছেলে রাহাব এবং ভাতিজি রোদেলা আক্তারের মৃত্যু হয়। রাহাব ছিলেন উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী এবং রোদেলা অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন।
বাদ জুমা উত্তরায় নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত ৮টার দিকে মরদেহগুলো গ্রামে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসী কান্নায় ভেঙে পড়েন।
হারেছ উদ্দিনের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে আমরা মৃত্যুর খবর পাই। অগ্নিকাণ্ডে এক পরিবারের তিনজন মারা যাওয়ায় আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত। সংসারের অভাবের কারণে ছোটবেলা থেকেই ওরা ঢাকায় গিয়ে ব্যবসা করে জীবন চালাচ্ছিল।’
রাত ১০টার দিকে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা–ছেলে ও ভাতিজিকে পাশাপাশি দাফন করা হয়।
এমএস/