দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দেশে অর্থনৈতিক সমস্যা বেড়েছে। ফলে ভিক্ষুকের সংখ্যা বাড়ছে। ডেঙ্গুতে মানুষ মারা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা সিটি করপোরেশন কী করছে? সরকারের মধ্যে আত্মসন্তুষ্টি ও অস্বীকৃতির ভাব থাকলে সমস্যা বাড়বে।’
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশে (পিআইবি) এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
তিনি বলেন, সবার নামে হত্যা মামলা গ্রহণযোগ্য নয়। প্রকৃত অপরাধীরা পার হয়ে যাচ্ছে, তাদের জামিন হয়ে যাচ্ছে। আদালত কি স্বাধীনভাবে কাজ করছে নাকি আগের মতোই আদেশক্রমে রায় দিচ্ছে।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের তিনটি সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। প্রথমত, স্বৈরাচারী শাসককে সরাতে পারাটা একটা বড় সাফল্য। বিভিন্ন জায়গায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের নির্যাতন বন্ধ হয়েছে, এটা আরেকটা বড় সাফল্য। তৃতীয় সাফল্য হচ্ছে, অনেক ধরনের কথাবার্তা, বিতর্ক হচ্ছে, সবাই মতামত দিতে পারছে, অনেক সংগঠন তৈরি হচ্ছে।
আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশকে একটি বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক দেশে রূপান্তর ঘটাতে চায়। তিনি বলেন, আমাদের নিয়ে যে বদনামটা ভারত থেকে ছড়ায়, যে রকম কথা বলা হয় যে এটা ইসলামিস্ট টেকওভার হয়েছে, কিছু জিনিস কেবল সময়ই বলতে পারে। আমাদের সরকার খুবই প্রগ্রেসিভ ও লিবারেল সরকার। এই সরকার দেশকে খুব ব্রিলিয়ান্টলি একটা জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখান থেকে রাজনৈতিক দলগুলো আরও এগিয়ে নিতে পারবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ এই ধারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেন প্রেস সচিব। তিনি বলেন, বিশেষ করে সেপ্টেম্বরের পর পরিস্থিতি নিকট অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভালো। ইউটিউবাররা অনেকক্ষেত্রে পপুলিস্ট ক্লিকবেটিং এজেন্ডা সেট করে দিচ্ছেন। সেটা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে। আগে তারা যখন হাসিনাবিরোধী ছিল, আমরা হয়ত তালি দিয়েছি। কিন্তু এখন এসে তারা যে ধরনের ফিয়ার মঙ্গারিং (ভয় তৈরি) করছেন, সেটা সত্যিকার অর্থে একটা অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এফএইচ