দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেস। গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের তিনটি স্তরের সবগুলোতে জয়ী হয়েছে তার দল। এতে করে তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রিয়তা আরও একবার প্রতিফলিত হয়েছে। এদিকে ব্যাপক ব্যাবধানে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল বিজেপি।
এখন পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলে তৃণমূল কংগ্রেস গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ৬৩ হাজার ২২৯ আসনের মধ্যে ৪১ হাজার ৭৭৬টি, পঞ্চায়েত সমিতির ৯ হাজার ৭৩০ আসনের মধ্যে ৪ হাজার ৯৩৮টি এবং জেলা পরিষদের ৯২৮ আসনের মধ্যে ৫২৬টিতে জয় পেয়েছে।
অন্যদিকে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৯ হাজার ১২৯টি, পঞ্চায়েত সমিতির ৫১১টি এবং জেলা পরিষদের ১৫টি আসনে জয় পেয়েছে।
এক ফেসবুক পোস্টে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, গ্রাম বাংলায় তৃণমূলের জয়জয়কার। তৃণমূলের প্রতি জনগণের ভালোবাসা, আবেগ ও সমর্থনের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। এই রাজ্যের জনগণের হৃদয়ে শুধু তৃণমূল, এ নির্বাচন তা প্রমাণ করেছে।
এদিকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘ভোটের ফলাফল ডাকাতির’অভিযোগ করেছে বিজেপি। দলটির দাবি, ভোট গণনা কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
অপরদিকে তৃণমূল দাবি করেছে, নির্বাচন চলাকালে সহিংসতায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের ৬০ শতাংশ হয় তাদের কর্মী বা তাদের সমর্থক।
এসব সত্ত্বেও দল জয় পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বিরোধীদের ‘মমতাকে ভোট নয়’কে ‘মমতার জন্য ভোট’ প্রচারণায় পরিণত করায় জনগণের কাছে (আমরা) কৃতজ্ঞ।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়। এ নির্বাচনে গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের তিনটি স্তরের ৭৪ হাজারেরও বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়।
এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে। শুধুমাত্র ভোটের দিনই অন্তত ১৫ জন নিহত হন। এর আগে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার দিন থেকে নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আরও প্রায় ২০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।