দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বৈশাখের শুরু থেকেই কখনও মৃদু থেকে মাঝারি আবার কখনও তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় সব রেকর্ড ভেঙে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
এর আগে, এদিন দুপুর ২টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যশোরে রেকর্ড করা হয়। এক ঘণ্টার ব্যবধানে যশোরকে ছাড়িয়ে যায় চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা।
জানা যায়, ২০১৪ সালের ২১ মে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিলো ৪৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগে ২০০৫ সালে ২ জুন ৪৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ২০১২ সালে ৪ জুন ৪২ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গায় টানা ১৮ দিন ধরে অব্যাহত রয়েছে তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপদাহ। সোমবার বিকেল ৩টার সময় এখানে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ১৩ শতাংশ।
বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে বলেও জানান চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের এই কর্মকর্তা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোমবার দুপুর থেকেই মরুভূমির মতো তাপ অনুভূত হচ্ছে চুয়াডাঙ্গায়। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে প্রাণীকূল। অস্বস্তি বাড়ছে জনজীবনে।
চলমান তাপদাহে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন শ্রমজীবীরা। তীব্র তাপদাহে নষ্ট হচ্ছে ধান, ভুট্টা, কলা, আম, লিচুসহ মৌসুমি ফসল।
ডিপি/