দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৬ আসরেও আলো ছড়িয়েছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হালান্ডদের মতো ফুটবলাররা। তবে প্রতি বিশ্বকাপের মতো এবারও জন্ম হয়েছে কয়েকজন নতুন তারকার। নিজেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তারা শুধু নিজ নিজ দলকে এগিয়ে নেননি, নজর কেড়েছেন ইউরোপের বড় বড় ক্লাবগুলোরও।
আইভরি কোস্টের ইয়ান দিওমান্দে, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, সুইজারল্যান্ডের ইয়োহান মানজাম্বি এবং কলম্বিয়ার গুস্তাভো পুয়ের্তা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক হয়ে উঠেছেন!
ইয়ান দিওমান্দে (আইভরি কোস্ট): আরবি লাইপজিগের এই উইঙ্গার বিশ্বকাপে ছিলেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের আতঙ্ক। দুরন্ত গতি, নিখুঁত ড্রিবলিং আর একাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য তাকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে। বুন্দেসলিগায় ২০ গোল ও ২০ অ্যাসিস্ট করার পর বিশ্বকাপেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন তিনি। ড্রিবলিং থেকে সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরির তালিকায় তার ওপরে ছিলেন শুধু কিলিয়ান এমবাপ্পে। অ্যালেক্স ফ্রিম্যান (যুক্তরাষ্ট্র): ভিয়ারিয়ালের এই ডিফেন্ডার ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণভাগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মুখ। কোচ মাউরিসিও পোচেত্তিনোর পরিকল্পনায় কখনও সেন্টার-ব্যাক, কখনও ফুল-ব্যাকের দায়িত্ব সামলিয়েছেন সমান দক্ষতায়। শুধু রক্ষণেই নয়, আক্রমণ গড়ার ক্ষেত্রেও ছিল তার বড় অবদান। পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ফরোয়ার্ড পাস দেওয়া ডিফেন্ডার ছিলেন তিনিই।
ইয়োহান মানজাম্বি (সুইজারল্যান্ড): সব ম্যাচে শুরুর একাদশে সুযোগ না পেলেও মাঠে নামলেই পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন ফ্রাইবুর্গের এই মিডফিল্ডার। মাত্র দুই ম্যাচে শুরু থেকে খেলেই বিশ্বকাপ শেষ করেছেন তিন গোল ও দুই অ্যাসিস্ট নিয়ে। তার গতি, ড্রিবলিং এবং ব্রিল এমবোলোর সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়া সুইজারল্যান্ডের আক্রমণে এনে দিয়েছিল নতুন মাত্রা।
গুস্তাভো পুয়ের্তা (কলম্বিয়া): কলম্বিয়ার মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন গুস্তাভো পুয়ের্তা। রেসিং সান্তান্দারের এই ফুটবলার একদিকে যেমন বল পুনরুদ্ধারে ছিলেন কার্যকর, অন্যদিকে আক্রমণ তৈরিতেও রেখেছেন সমান অবদান। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তার কর্মক্ষমতা, প্রেসিং এবং পাসিং মুগ্ধ করেছে ফুটবল বিশ্লেষকদের। প্রত্যাশিত অ্যাসিস্টের (এক্সজি অ্যাসিস্ট) হিসেবে তিনি ছিলেন কলম্বিয়ার দ্বিতীয় সেরা, শুধু হুয়ান ফের্নান্দো কুইন্তেরোর পেছনে।
কেএম