দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপে এবারই প্রথম ৪৮ দলের অংশগ্রহণ হলেও, আগামী ২০৩০ আসরের আগেই দলসংখ্যা আরও বাড়িয়ে ৬৪ করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হবে।
সম্প্রতি সুইস সংবাদমাধ্যম ব্লুউইন'কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেন, চলমান বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফার সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে।
তিনি বলেন, এটি অবশ্যই এমন একটি বিষয়, যা এই বিশ্বকাপের পর সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আলোচনা করা হবে। বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে শুধু ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার জন্য নয়, পুরো বিশ্বের কথা ভাবতে হবে।
বিশ্বকাপে আরও বেশি দেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ইনফান্তিনো বলেন, প্রতিটি দেশেরই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখার সুযোগ থাকা উচিত।
ফিফা সভাপতি আরও বলেন, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, বিশ্বের সব অঞ্চলের দলগুলোর মান দিন দিন উন্নত হচ্ছে। ছোট দেশগুলোকে যদি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে উন্নতির জন্য তাদের অনুপ্রেরণাও কমে যাবে।
এর আগে, ১৯৯৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নেয় ৩২টি দল। এরপর ২০২৬ আসরে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়। বর্তমানে ১০৪ ম্যাচের এই আসর একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বাকি আছে দুটি সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনাল।
৪৮ দলের বিশ্বকাপকে 'বিশাল সাফল্য' হিসেবে উল্লেখ করে ইনফান্তিনো বলেন, এবার সব মহাদেশের দলই গোল করেছে এবং অন্তত একটি করে পয়েন্ট অর্জন করেছে। আফ্রিকার ১০টি দলের মধ্যে ৯টিই নকআউট পর্বে উঠেছে, যা অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের প্রথম বহু মহাদেশীয় আয়োজন। উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। যেখানে প্রতিটি দেশে হবে একটি করে ম্যাচ। এরপর মূল টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো হবে মরক্কো, পর্তুগাল ও স্পেনে।
কেএম