দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর সবচেয়ে প্রতীক্ষিত লড়াইয়ে মুখোমুখি ইউরোপের দুই ফুটবল পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল। শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছে দু-দল। বল দখলে এগিয়ে থাকলেও পর্তুগালের রক্ষণ ভেদ করে গোল আদায় করতে পারেনি স্পেন। পর্তুগালও রাখতে পারেনি লক্ষ্যে শট। ফলে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। স্পেনের আক্রমণ সামলাতেই সময় কাটিয়েছে পর্তুগিজরা। এভাবেই শেষ হয় ৯০ মিনিট। অবশেষে যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর করা গোলে জয় নিশ্চিত করে স্পেন। এর মধ্য দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিলো স্পেন। আর শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে।
ম্যাচের ১২ মিনিটেই দুদল অন ও অফ টার্গেটে শট নিয়েছে মোট সাতটি। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে তো লিড পেয়েই যেত স্পেন। বল নিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ওইয়ারজাবাল। তার সামনে ছিল কেবল পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। কিন্তু ওইয়ারজাবালের নেওয়া শটটি লক্ষ্যে ছিল না। সাইডবারের পাশ দিয়ে চলে যায় বলটি। সে যাত্রায় বেঁচে যায় পর্তুগাল।
পরক্ষণেই আক্রমণে উঠে পর্তুগাল। বুলেট গতির এক শট নেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কিন্তু বীরত্বের সঙ্গে শটটি কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। তিন মিনিট পর ডাবল সেভ করেন পর্তুগালের গোলরক্ষক।
ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে দলগত আক্রমণ করে পর্তুগাল। কিন্তু ডানপ্রান্ত থেকে সতীর্থদের দেওয়া ক্রসে হেড করেন জোয়াও ফিলিক্স। সেটি ফিরিয়ে দেন উনাই সিমন। সঙ্গে সঙ্গে কৌশলগত এক টোকা দিয়েছিলেন রোনালদো। এবার বাজপাখির মতো উড়ে এসে বল তালুবন্দী করেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক। তিন মিনিট পর দুর্দান্ত এক শট নেন নুনো মেন্ডিস। স্পেনের রক্ষণভাগের কল্যাণে সে যাত্রায় রক্ষা মেলে।
এর আগে পর্তুগিজদের রুখে দিতে উইনিং কম্বিনেশনের ওপরই আস্থা রাখছেন স্পেনের কোচ। গোলবারের নিচে অতন্দ্র প্রহরী উনাই সিমন। রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্বে থাকছেন পেদ্রো পোরো, পাও কুবারসি, এমেরিক লাপোর্তে ও মার্ক কুকুরেয়া। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ থাকবে রদ্রি, পেদ্রি ও দানি ওলমোর পায়ে। আর আক্রমণভাগে পর্তুগালের রক্ষণ ভাঙতে প্রস্তুত তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারসাবাল ও আলেক্স বায়েনা।
অন্যদিকে, শেষ আটে যাওয়ার মিশনে পর্তুগাল একাদশে বড় পরিবর্তন এনেছে। আক্রমণভাগকে আরও ধারালো করতে শুরুর একাদশে ফেরানো হয়েছে জোয়াও ফেলিক্সকে। দলের গোলপোস্ট সামলাবেন দিয়োগো কস্তা। রক্ষণভাগ সামলাবেন জোয়াও কানসেলো, রেনাতো ভেইগা, রুবেন দিয়াস ও নুনো মেন্দেস। মাঝমাঠে বলের জোগান দেবেন জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া ও ব্রুনো ফের্নান্দেস। আর আক্রমণভাগে অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও পেদ্রো নেতোর সঙ্গে জুটি বাঁধেন জোয়াও ফেলিক্স।
কেএম