153ac414d41ab117644a39b137527038
দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: digital@desh.tv

৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই নতুন ইতিহাস লিখলো ডিআর কঙ্গো। শক্তিশালী পর্তুগালকে ১-১ গোলে রুখে দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করলো মধ্য আফ্রিকার দেশটি।
পুরো ম্যাচে কোনো শটই নিতে পারেননি পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যেন তিনি মাঠেই ছিলেন না।
বুধবার (১৭ জুন) টেক্সাসের হিউস্টনে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় মুখোমুখি হয় দুই দল।
এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠে পর্তুগালের আধিপত্য দেখা যায়। ম্যাচের মাত্র ষষ্ঠ মিনিটের মাথায় পেদ্রো নেতোর বাম দিক থেকে ভাসানো নিখুঁত ক্রসে জোয়াও নেভেস হেড করে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তবে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ডিআর কঙ্গো। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কর্নার থেকে ডান দিক দিয়ে আসা বল ফার পোস্টে পেয়ে শক্তিশালী হেডে জাল খুঁজে নেন উইসা। সেই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম গোলের দেখা পায় ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে পর্তুগাল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করেছিলেন জোয়াও ক্যানসেলো। তবে তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি। ফলে নির্ধারিত সময় শেষে ১-১ গোলের সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।
ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে এই ম্যাচে মাঠে থাকলেও জ্বলে উঠতে পারেননি পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো।
ম্যাচে মোট ২৫ বার বলে টাচ করলেও ২১টি সহায়ক পাস দেন রোনালদো। যার মধ্যে ১৬টিই ছিল ব্যাক পাস। দুইবার ফুট শট নিলেও সেগুলো ছিল গোলবারের বাইরে। গোলমুখে কোনো শট নিতে পারেননি তিনি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সে হতাশ পর্তুগাল ভক্তরা।
তবে বাজে পারফরম্যান্স করলেও এদিন লিওনেল মেসির পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলার কীর্তি গড়েছেন রোনালদো। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬—ছয়টি বিশ্বকাপেই মাঠে নামলেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
কে