দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে ইরাক। বিশেষ করে দলের ১০ জন ঘরোয়া লিগভিত্তিক ফুটবলারের জন্য এটি হতে যাচ্ছে মানের দিক থেকে বড় এক পরীক্ষা।
ইরাক দলে যেসব খেলোয়াড়কে তুলনামূলক বেশি প্রতিভাবান হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাদের অধিকাংশই দেশের বাইরে বিভিন্ন লিগে খেলেন। তবে তাদের অনেকেই নিয়মিত একাদশে সুযোগ পাচ্ছেন না, ফলে ম্যাচের ছন্দ ও ধার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
দলের অন্যতম আলোচিত সদস্য জার্মানিতে জন্ম নেওয়া বাঁ-প্রান্তের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় মেরখাস দোস্কি। পেশাদার ফুটবলার হওয়ার আগে তিনি নিচের স্তরের লিগে খেলার পাশাপাশি রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের শীর্ষ লিগের ক্লাব ভিক্টোরিয়া প্লজেনের নিয়মিত খেলোয়াড়। জুন মাসে স্পেনের বিপক্ষে ড্র হওয়া ম্যাচে দারুণ এক গোল করে আলোচনায় আসেন তিনি।
আক্রমণভাগে ইরাকের অন্যতম ভরসা আল-কারমার ফরোয়ার্ড আয়মান হুসেইন। বলিভিয়ার বিপক্ষে বাছাইপর্বের প্লে-অফে জয়সূচক গোল করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন তিনি।
ছয় ফুট দুই ইঞ্চি উচ্চতার এই স্ট্রাইকার ম্যাচ শেষে জয়টি উৎসর্গ করেন সেই সব ইরাকিদের, যারা দীর্ঘদিন ধরে নানা দুর্ভোগ ও কষ্টের মধ্যে জীবন কাটিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। গত দুই দশকে দেশজুড়ে চলা সহিংসতায় তিনি হারিয়েছেন তার বাবা ও ভাইকে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে ইরাকের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে এমন অভিজ্ঞ ও সংগ্রামী ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ওপর।
সূত্র: বিবিসি
/অ