দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দিয়ে আবেগে ভেঙে পড়লেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক ম্যাচ শেষে সতীর্থদের কাঁধে ভর করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা জয়বঞ্চিত হয়।
কেপ ভার্দের কোচ বুবিস্তা বলেন, ‘ভোজিনিয়া আবেগে অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এবং দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করে এই বিশ্বমঞ্চে পৌঁছেছেন। এটি ছিল তার দৃঢ়তার প্রতিচ্ছবি।’
আটলান্টার মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই কেপ ভার্দের ওপর চাপ তৈরি করে স্পেন। বল দখলে আধিপত্য থাকলেও স্প্যানিশ আক্রমণ বারবার ভোজিনিয়ার সামনে এসে থেমে যায়।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফেরান তোরেসের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসার পরও স্পেন গোল করতে ব্যর্থ হয়। মিকেল ওইয়ারসাবালের হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন ভোজিনিয়া। এরপর আয়মেরিক লাপোর্তের নিশ্চিত হেডও তিনি অসাধারণ সেভে রুখে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে স্পেন চাপ বাড়ালেও ভোজিনিয়া একের পর এক ক্রস ও কর্নার দখলে নিয়ে দলের রক্ষণভাগকে স্থির রাখেন। রদ্রির সঙ্গে সংঘর্ষে সাময়িকভাবে আহত হলেও তিনি ফের মাঠে ফিরে আসেন।
ম্যাচের শেষ পর্যন্ত স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল ও মিকেল মেরিনোদের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ হয় ভোজিনিয়ার দৃঢ়তায়।
এই ম্যাচে ভোজিনিয়ার পারফরম্যান্স তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় নিয়ে আসে। ম্যাচ চলাকালীন তার অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে, যা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কয়েক মিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়।
অন্যদিকে, কেপ ভার্দে রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলায় পুরো ম্যাচ জুড়ে লড়াই করে এবং শেষ বাঁশির পর খেলোয়াড়রা এই ড্রকে জয় হিসেবে উদযাপন করে। স্টেডিয়ামের দর্শকরাও করতালিতে ভোজিনিয়াকে অভিবাদন জানান।
/অ