দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ম্যাকাই টেস্টে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা। শুরুতেই ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪৩ রানের স্কোরের লজ্জা এড়ালেও বড় ব্যাটিং বিপর্যয় থেকে বের হতে পারেনি।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই স্টার্কের গতি ও সুইংয়ের সামনে অসহায় হয়ে পড়েন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত—তিনজনই কোনো রান না করে ফেরেন। এরপর মুমিনুল হক ৯ রান করে আউট হন। লিটন দাসও রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন।
মাত্র ৬.৪ ওভারে ১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চরম বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ২২ বলের মধ্যেই পাঁচটি উইকেট তুলে নেন স্টার্ক। চার ওভার বল করে তিনটি মেডেনসহ মাত্র ৪ রান দিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেটের মাইলফলক।
এরপর মুশফিকুর রহিমও প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ৪২ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হন তিনি। ২১ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। তাদের ব্যাটে ভর করে প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৫ রান।
লাঞ্চের পরও অবশ্য সেই প্রতিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দ্বিতীয় সেশনে প্রথম ওভারেই বল হাতে নিয়ে মিরাজকে ফেরান প্যাট কামিন্স। ১১ রান করে আউট হন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। পরের ওভারে জশ হ্যাজেলউডের বলে বিদায় নেন হাসান মাহমুদ, তার ব্যাট থেকে আসে ১০ রান।
এরপর দ্রুতই শেষ তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৯ রানে নবম উইকেট পড়ার পর টেস্ট ইতিহাসে নিজেদের সর্বনিম্ন স্কোরে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তবে তাইজুল ইসলাম হ্যাজেলউডের বলে চার মেরে সেই লজ্জা থেকে বাংলাদেশকে বাঁচান। শেষ পর্যন্ত ৬৪ রানেই থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
এই ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। চোট কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। তার জায়গা ছেড়ে দেন ইবাদত হোসেন।
বাংলাদেশ একাদশ: সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ট্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজেলউড।
যে আই