দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আগামী মাসের শুরুতেই পর্দা উঠবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। তবে নিরাপত্তার কারণে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা যখন ধোঁয়াশায়, তখন পাশে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি দিয়ে ভারতে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে। আর এই চিঠির অনুলিপি বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাটির অন্যান্য সদস্য দেশকেও পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, আজ বুধবার আইসিসি বোর্ডের বৈঠকে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল বিসিবি।
তবে পিসিবির চিঠির পরই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়। যদিও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পিসিবির এই পদক্ষেপ আইসিসির অবস্থান বদলাবে না। আইসিসি শুরু থেকেই বিশ্বকাপের নির্ধারিত সূচি পরিবর্তনে অনড় রয়েছে এবং বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে—এই বার্তাই বিসিবিকে গত সপ্তাহে একাধিক আলোচনায় জানানো হয়েছে।
বিসিবি ইতোমধ্যে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলবে না। বিষয়টি নিয়ে আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে একাধিক দফা বৈঠক হয়েছে। গত সপ্তাহে বিসিবির সঙ্গে আইসিসির সর্বশেষ সভায়ও দৃঢ় অবস্থান জানিয়েছে উভয়পক্ষ।
আইসিসি ম্যাচ আয়োজন নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী করার কথা বলছে, আর বিসিবি নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে দল পাঠাতে অপারগতা প্রকাশ করছে। তাই আবারও নিজেদের সিদ্ধান্ত বিবেচনায় ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত আইসিসি সময় বেধে দিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে ক্রিকইনফো।
যদিও বিসিবি আগেই তা অস্বীকার করে জানিয়েছিল– বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাটির কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ডেডলাইন তারা পায়নি। এদিকে, বিশ্বকাপ শুরুরও আর বেশি সময় নেই। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে এই মেগা ইভেন্ট শুরু হবে। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী– লিগপর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতা এবং আরেকটি মুম্বাইয়ে রাখা হয়েছে।
গত বছর থেকে পাকিস্তানও ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। ফলে ভারত-পাকিস্তানে ম্যাচ হলেই নিরপেক্ষ একটি ভেন্যুও রাখা হয় হাইব্রিড মডেল অনুসারে। একইভাবে বাংলাদেশেরও ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানের সমর্থন কিছুটা নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে। এর আগে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল– বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো পাকিস্তানে সরিয়ে নেওয়া কিংবা টাইগাররা না খেললে পাকিস্তানও নিজেদের সরিয়ে নিতে পারে। যদিও সেসব আলোচনা গুঞ্জনেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। পিসিবিও প্রকাশ্যে এসব বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।
/অ