দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সমুদ্রপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) সভাপতি মাহবুবুর রহমান।
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামুদ্রিক দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নাবিকদের সুরক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে-যা শুধু নাবিকদের নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল ও সংশ্লিষ্ট অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্যও অপরিহার্য। সমুদ্রপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন ঝুঁকি-বিশেষ করে প্রতারণা ও অনিয়মের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ধরনের ঘটনার ফলে ক্ষতির অর্থ পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই সীমিত। তাই ব্যাংকার, রপ্তানিকারক ও আমদানিকারকদের জন্য বর্তমান সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং সেগুলো প্রতিরোধের উপায় জানা অত্যন্ত জরুরি।
আর্থিক অপরাধের ক্রমবর্ধমান ও পরিবর্তনশীল প্রকৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে প্রতারণা ও ডেটা নিরাপত্তাজনিত হুমকি বিভিন্ন রূপে এবং নানা মাধ্যমে দেখা দিচ্ছে। তাই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অপরাধীরা কীভাবে কাজ করে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে—তা সম্পর্কে গভীর ধারণা রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ধরনের জ্ঞান ও কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকি কমাতে এবং বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আগেই হুমকি শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
বিশ্ব ব্যবসা সংগঠন, লন্ডনভিত্তিক আইসিসি কমার্শিয়াল ক্রাইম সার্ভিসেস (সিসিএস) ও আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ব্যুরো (আইএমবি)-এর সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যানসিয়াল ক্রাইম: আইডেন্টিফায়িং রিস্ক অ্যান্ড প্রিভেন্টিং ফ্রড ইন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইএমবি পরিচালক মাইকেল হাওলেট।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ মোট ২৩টি ব্যাংকের ৮৮ জন প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর ২ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
কে