দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ সংকট কমাতে সমুদ্রে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ ইরানি তেল বিক্রির ওপর সাময়িক ছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহের পথ খুলে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রপ্তানির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ট্যাঙ্কারে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে আনুমানিক ১৭০ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল। এই তেল দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারজাত করা যাচ্ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০ মার্চের মধ্যে জাহাজে তোলা ইরানি তেল ১৯ এপ্রিলের মধ্যে খালাস করা হলে সেই লেনদেন সাময়িকভাবে অনুমোদিত থাকবে। এ জন্য সীমিত সময়ের একটি বিশেষ লাইসেন্স জারি করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংঘাত এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে দাম দ্রুত বেড়ে গেছে। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব অনুযায়ী, পানিতে থাকা ১৩০ থেকে ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উৎপাদন ঘাটতির প্রায় দুই সপ্তাহের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। ফলে এ তেল বাজারে এলে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যচাপ কিছুটা কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাময়িক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ফলে এশিয়ার কয়েকটি দেশ, বিশেষ করে ভারত, ইরানি তেল আমদানির সম্ভাবনা পুনরায় বিবেচনা করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলের ওপর ব্যাপক নির্ভরশীল এশিয়ার দেশগুলো হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার কারণে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে।
এমএস/