দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার সামনে ছিল জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু পাকিস্তানের বোলিং তোপে শ্রীলঙ্কা বড় সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়। শাহিন আফ্রিদির তাণ্ডবে ১০০ রানের আগেই শ্রীলঙ্কা হারায় ৬টি উইকেট। যদিও কামিন্দু মেন্ডিসের হাফসেঞ্চুরিতে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১৩৩ রান।
২০১৯ সালের পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়। পাকিস্তান তাদের একাদশ অপরিবর্তিত রাখলেও শ্রীলঙ্কা একাদশে পরিবর্তন আনে। তবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং শক্তি কমে যাওয়ার পাশাপাশি ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যানরাও ব্যর্থ হয়েছেন।
শাহিন আফ্রিদি তার প্রথম ওভারেই কুশল মেন্ডিসকে আউট করেন, এবং এটি ছিল মেন্ডিসের জন্য পাকিস্তানের বিপক্ষে তার তৃতীয় গোল্ডেন ডাক। পরের ব্যাটসম্যান পাথুম নিশাঙ্কাও ৮ রানে শাহিনের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। কামিন্দু মেন্ডিস ছাড়া শ্রীলঙ্কার অন্যরা বড় কিছু করতে পারেননি। কুশল পেরেরা (১৫), আসালাঙ্কা (২০), এবং দাসুন শানাকা (০) আউট হন দ্রুত। শানাকা ১৩ বার ডাক নিয়ে টি-টোয়েন্টি রেকর্ডে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেন।
মাঝে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ১৫ রান করে আউট হন। তবে কামিন্দু মেন্ডিস একপ্রান্তে টিকে থাকেন এবং ৪৩ বলে তার তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত শাহিন আফ্রিদির এলবিডব্লিউ শটের পর তিনি আউট হন। চামিকা করুণারত্নে ২১ বল খেলে ১৭ রান করেন। এর পর শ্রীলঙ্কা সংগ্রহ করে ১৩৩ রান।
পাকিস্তানের বোলিংয়ে শাহিন আফ্রিদি ৩ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন, আর আবরার আহমেদ ও হুসাইন তালাত ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
এমএস/