দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বড় কোনও আসরের ট্রফি জেতা হয়নি বাংলাদেশ জাতীয় দলের। কখনও কম্বিনেশন, কখনও অভিজ্ঞতার ঘাটতির কাছে জলাঞ্জলি দিতে হয়েছে। এই যেমন সবশেষ ২০১৯ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত দল গড়েও একা সাকিব আল হাসান ছাড়া বাকিরা ছিলেন নিষ্প্রভ।
এবার আগে থেকেই লক্ষ্য ঠিক করে ফেলছে বাংলাদেশ দল। অন্যতম অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজও জানালেন তেমনটাই। তিনি মানছেন, এই বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করার সুযোগ আছে বাংলাদেশের।
‘অবশ্যই অনেক বড় সুযোগ (এবারের বিশ্বকাপে)। যেভাবে গত এক-দেড় বছরে আমরা খেলেছি, যেভাবে দল ফল পেয়েছে দেশে ও বাইরে, ঘরে জিতেছি, বাইরে জিতেছি, এবার তাই আশা করতে পারি, এই বিশ্বকাপ আমাদের অন্যতম একটা বিশ্বকাপ যাবে।’
বিশ্বকাপ মাঠে গড়াতে এখনো সাড়ে তিন মাস বাকি। এই সময়ের মধ্যেই সারতে হবে প্রস্তুতি। তবে বাংলাদেশ দল অনেক আগে থেকেই বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন মিরাজ।
‘আলহামদুল্লিলাহ, আমরা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি অনেক আগে থেকেই নিচ্ছি। এখন থেকে স্টার্ট করব এটা না। আমাদের প্রস্তুতি সেই অনেক আগে থেকেই স্টার্ট হয়েছে। সেইভাবেই আমরা প্ল্যানিং করছি, খেলছি। তার ভেতর হয়তো টেস্ট ম্যাচ ছিল। শেষ করলাম। সামনে কোন টেস্ট ম্যাচ নাই, এখন ওয়ানডে নিয়ে চিন্তা ভাবনা। বিশ্বকাপও বেশি দেরি নাই। সো ওভার অল যেভাবে প্র্যাকটিস করছি, ভালো প্র্যাকটিস করছি।’
বিশ্বকাপের আগে দলে কোনও পরিবর্তন আনতে হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মিরাজ বলেন, ‘আপনি দেখেন যে, অনেক কিছু যে পরিবর্তন করতে হবে সেই রকম না। সবাই কিন্তু সবার রোলটা জানে। ছোট ছোট জায়গায় জাস্ট ইম্প্রুভ করাটা। জাস্ট এইটা মূলত কোচ প্লেয়ারদের সাথে কাজ করছে। এবং দেখেন যে, টিমের ভেতর বেশ এক্সপেরিয়েন্স প্লেয়ার আছে। অনেক বিশ্বকাপ খেলা প্লেয়ার আছে। আমার কাছে মনে হয়, এটাই মনে হয় বাংলাদেশের বেশি এক্সপেরিয়েন্স প্লেয়ার। অনেক বছর ধরে ন্যাশন্যাল টিমে খেলছে, আমরা যারা আছি, তারাও অনেক বছর ধরে খেলছি।’
মিরাজ আরও বলেন, ‘প্রিপারেশন বলতে আপনি যে জিনিসটা বললেন, ওয়ার্ল্ড কাপে আমরা জানি ওইখানে কীভাবে খেলা হয়। কী টেম্পারমেন্টে খেলা হয়, কী রানের ফ্লোতে খেলা হয়। সো ওই জিনিসগুলা নিয়ে আমরা চেষ্টা করছি আমাদের অভার কাম করার জন্য। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড সিরিজটা দেখেন, ৩০০ রান প্লাসের খেলা হয়েছে। বিশ্বকাপ কিন্তু ম্যাক্সিম্যাম ম্যাচই এই রকম হবে। তিন’শ-সাড়ে তিন’শ প্লাস রান হবে।…. আমরা এই জিনিসগুলো কিভাবে অ্যাডাপ্ট করতে পারি একটা ম্যাচ না, কীভাবে কন্টিনিউ করতে পারি সব সময় আলোচনা, প্র্যাকটিস সেটাপ আলোচনা করছি।’
আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ভারতের শুরু হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ভারতের ১০টি শহরের ১২ থেকে ১৫টি ভেন্যুতে ৪৬ দিনে বিশ্বকাপের মোট ৪৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ নভেম্বর ফাইনালের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এই মেগা ইভেন্ট।