দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ঢাকা টেস্ট চলাকালীন সময়েই ধারণা করা হচ্ছিল এমন কিছু হয়তে পারে। শেষ পর্যন্ত মিরপুরের উইকেটকে ‘অসন্তোষজনক’ বলে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি জানায় আইসিসি। ওই বিবৃতিতে জানানো হয় ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুনের প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে শের ই বাংলা স্টেডিয়ামকে দেওয়া হয়েছে ১ ডিমেরিট পয়েন্ট।
ডেভিড বুন দুই অধিনায়কের সঙ্গে আলোচনা করে রিপোর্ট পাঠান আইসিসিতে। সেটির ওপর ভিত্তি করেই দেওয়া হয়েছে ডিমেরিট পয়েন্ট। এই ডিমেরিট পয়েন্ট বলবৎ থাকবে আগামী এক বছর। এর মধ্যে যদি আরো পাঁচ ডিমেরিট অর্থাৎ মোট ছয় ডিমেরিট পয়েন্ট হয়, তাহলে এক বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য নিষিদ্ধ হবে মিরপুর স্টেডিয়াম।
অবশ্য বিসিবি চাইলে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে এই রায়ের বিরুদ্ধে।
আইসিসির দেয়াও বিবৃতিতে ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন বলেন, ‘মাঠের আউটফিল্ড খুবই ভালো ছিল এবং বৃষ্টিতেও দারুণভাবে অটুট ছিল। তবে উইকেট দেখে মনে হয়েছে, এটা হয়তো অপ্রস্তুত ছিল। যথেষ্ট শক্ত ছিল না এটা এবং প্রথম দিনেও ঘাসের আচ্ছাদন ছিল না।’
‘প্রথম সেশন থেকে ম্যাচের পরের সময়টায় বাউন্স ছিল অধারাবাহিক। অনেক ডেলিভারিতেই বল পিচ থেকে লাফিয়ে উঠেছে। ব্যাটাররা ফরোয়ার্ড খেলার সময় স্পিনারদের ডেলিভারিও ব্যাটারদের কাঁধের ওপর দিয়ে লাফিয়ে গেছে এবং কখনও কখনও খুব নিচু হয়ে গেছে’-আরও যোগ করেন বুন।
ঢাকা টেস্টে সবমিলে ১৭৯ ওভারের মতো খেলা হয় চারদিনে। তারমধ্যে একদিন বলই গড়ায়নি মাঠে। বাকি তিন দিনেও খেলা শেষ হয়তে পারেনি পুরোপুরি।
প্রথম দিন বাংলাদেশ অল-আউট হয় ১৭২ রানে। নিউ জিল্যান্ড খেলতে নেমে ৫৫ রানে হারিয়ে ফেলে ৫ উইকেট। পরদিন খেলা হয়নি। তৃতীয় দিন নিউ জিল্যান্ড ১৮০ রানে অলআউট হয়।
একইদিন শেষ বিকেলে বাংলাদেশ খেলতে নেমে ৩৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে। চতুর্থ দিন মোটে ১৪৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। ১৩৭ রানে লক্ষ্যে খেলতে নেমে কিউইরা হারিয়ে ফেলে ৬ উইকেট।
এমআর/