দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অদ্ভুত এক আউটের শিকার হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে ইনিংসের ৪১তম ওভারে কিউই পেসার কাইল জেমিনসনের বল ব্যাকফুটে খেলেছিলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তবে ব্যাটে বল লাগার পর মুশফিক হঠাৎ সেই বল হাত দিয়ে সরিয়ে দেন।
এরপর নিউজিল্যান্ডের খেলোয়াড়রা ‘হ্যান্ডেলড দ্যা বল’ আউটের আবেদন করেন আম্পায়ারের কাছে। থার্ড আম্পায়ার ভিডিও রিপ্লে দেখে আউট ঘোষণা করেন মুশফিককে।
তার এমন কাণ্ড দেখে হতাশ হয়েছেন কমেন্ট্রি বক্সে থাকা তামিম ইকবাল। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না মুশফিকের মতো অভিজ্ঞ একজন ব্যাটার এমন কিছু করে বসতে পারেন।
অনেকে এই আউট বিয়ে ধোঁয়াশায় থাকলেও রাতে অবশ্য মুশফিকের এই আউটের ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।
আইসিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধারা ৩৭.১.১ অনুযায়ী ব্যাটসম্যান যদি বল খেলার মধ্যে থাকাকালে ইচ্ছাকৃত ভাবে কথা বা কাজের মাধ্যমে ফিল্ডিং দলকে বাধা দেন কিংবা মনোযোগ নষ্ট করেন, তবে তিনি আউট হবেন। তবে ৩৭.২ ধারা মতে, আঘাত থেকে বাঁচতে এমন কিছু করলে ব্যাটসম্যান আউট হবেন না।
ধারা ৩৭.১.২ অনুযায়ী বোলার বল করার পর ব্যাটসম্যান যদি যে হাতে ব্যাট ধরা নেই সেই হাত দিয়ে বলে আঘাত করেন বা ছুঁয়ে সরিয়ে দেন তবে আউট ঘোষিত হবেন (ব্যতিক্রম ৩৭.২ ধারা)। সেটি প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা আরও পরে ছোঁয়ার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বল খেলার সময় যেমন তেমনি এরপর ব্যাটসম্যান কিংবা নন স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান উইকেট বাঁচানোর চেষ্টা করার সময়েও এই আইন প্রযোজ্য।
ব্যাট লাগার পর যেহেতু বলটি তখনও ডেড হয়নি অর্থাৎ খেলার মধ্যে ছিল এবং মুশফিক সেটাকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ঠেলে দিয়েছেন সেহেতু উপরোক্ত আইন অনুযায়ী ৮৫ বল খেলে ৩৫ রান করে তাকে ড্রেসিংরুমে ফিরে যেতে হয়।
বিবৃতিতে আইসিসি আরও জানায়, ২০১৭ সালে ‘হ্যান্ডেলড দ্যা বল’ থেকে ‘অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড’ হওয়ার পর টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এমন আউট হন মুশফিক। তার আগে ৭ জন ব্যাটসম্যান ‘হ্যান্ডেলড দ্যা বল’ আউট হয়েছিলেন।
এমআর/