দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের বাঁচা-মরার ম্যাচ। সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্যাক ফুটে চলে যাওয়া বাংলাদেশের সামনে টিকে থাকার একটাই সমাধান শ্রীলঙ্কাকে হারানো। এমন একটা ম্যাচে টস জিতে আগে বোলিংয়ে নামে বাংলাদেশ।
প্রথমে বোলিং করে লঙ্কানদের আটকানো গেল আড়াইশ রানের ঘরে। শুরুতে তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলামদের বোলিং তোপে ধীর গতিতে রান তুললেও ইনিংসের মাঝে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। তবে শেষ দিকে হাসান মাহমুদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে আটকে শ্রীলঙ্কা ইনিংস শেষ করেছে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৭ রানে।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ব্যাট করতে নেমে তাসকিন আহমেদের বলে শুরুতে চাপে পড়ে লঙ্কান দুই ওপেনার। প্রথম ওভারে লেগ বিফোর হলেও রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান পাথুম নিশাঙ্কা। তবে ষষ্ট ওভারের তৃতীয় বলে হাসান মাহমুদের বল ইনসাইড এজ হয়ে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন দিমুথ করুনারত্নে (১৭)।
নিশাঙ্কা আরও কিছুক্ষণ টিকে থাকেন কুশল মেন্ডিসকে নিয়ে। দুজনের জুটি দারুণ কিছুর আভাস দিচ্ছিলেন। তবে পথের কাটা হয়ে দাঁড়ান শরিফুল ইসলাম। নিশাঙ্কাকে ৪০ রানে বিদায় করেন এই পেসার।
এরপর কুশল মেন্ডিস-সামারাবিক্রমা জুটিটাও মাত্র ৫ রানে ভাঙেন শরিফুল। কুশল ৫০ রান করে ক্যাচ দেন তাসকিনের হাতে। তবে চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সাদিরা সামারাবিক্রমা ভয়ে ধরিয়ে দেওয়ার মতো ব্যাটিং করেন টাইগার বোলারদের বিপক্ষে।
পঞ্চাশ পূর্ণ করে ছুটছিলেন শতকের দিকে। এর মাঝে চারিথ আসালাঙ্কাকে ১০ রানে ফেরান তাসকিন। ৬ রান করা ধানাঞ্জায়া ডি সিলভাকে ফেরান হাসান মাহমুদ। দাসুন শানাকাও টিকে থাকতে পারেননি, তাকেও হাসান ফেরান ২৪ রানের মাথায়।
হাসানের থ্রোতে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় দুনিথ ওয়েললালাগেকে। মাহেশ থেকশানা আর কি করবেন শেষ দিকে। মাত্র ২ রান করে তাসকিনের বলে ক্যাচ দেন মুশফিকের গ্লাভসে। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখা সামারাবিক্রমা যখন নার্ভাস নাইন্টির ঘরে, তখনই খেই হারান তাসকিনের কাছে।
শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দেন বদলি ফিল্ডার হিসেবে নামা আফিফ হোসেনের হাতে। শেষ পর্যন্ত সামারাবিক্রমা থামেন ৭২ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ৯৩ রান করে।
বাংলাদেশের পক্ষে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ। ২টি উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম।
এমআর/