দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে যে কটা ম্যাচ হয়েছে এবারের এশিয়া কাপে, প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে বড় স্কোর। বুধবার বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচটায়ও তেমন কিছু হওয়ার সুযোগ ছিল। সেটি করার দারুণ সুযোগও পায় বাংলাদেশ টস জিতে। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে টাইগার ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে হেরে সাকিবরা শুরু করেছে সুপার ফোর পর্ব।
লাহোরের ব্যাটিং স্বর্গে এদিনও নাঈম শেখের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করতে নামেন আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম ওভারে শাহীন আফ্রিদিকে মেডেন ওভার দেন নাঈম। পরের ওভারে নাসিম শাহ বোলিংয়ে আসলে প্রথম বলেই পায়ের বল খেলতে গিয়ে মিড উইকেট ক্যাচ দেন মিরাজ।
এরপর নাঈম শেখ আর লিটন দাসের ব্যাটিং আভাস দেয় দারুণ কিছুর। কিন্তু টিকে থাকতে পারেননি শাহীন আফ্রিদি-ফাহিম আশরাফদের পেস তোপের সামনে। জ্বর থেকে উঠে আসা লিটন ৪টি চারে ১৩ বলে ১৬ রান করে ক্যাচ দেন শাহীনের বলে।
এরপর নাঈমকে (২০) ফেরান হারিস রউফ। তাওহীদ হৃদয় আগের ম্যাচের মতোই হতাশ করেছেন, ২ রান করে বোল্ড হন হারিসের বলে। ৪৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে যখন বিপাকে পড়ে দল, তখন সাকিব-মুশফিকের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ।
দুজনের জুটি ভাঙ্গে বরাবর ১০০ রান যোগ করে সাকিবের বিদায়ে। ফাহিমের শর্ট লেংথের বল পুল করতে গেলে ধরা পড়েন স্কয়ার লেগে থাকা ফখর জামানের হাতে। ৫৭ বলে ৭চারে ৫৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক।
দলীয় ১৪৭ রানের মাথায় সাকিবের ফেরার পর শামিম পাটোয়ারিকে নিয়ে অর্ধশত পূর্ণ করেন মুশফিকুর রহিম। আগের ম্যাচে অভিষেক হওয়া শামিম এদিন শুরু থেকেই চেষ্টা করেন বাউন্ডারি হাঁকানোর। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন, ইফতিখারের বলে ক্যাচ তুলে দেন ২৩ বলে ১৬ রান করে।
এরপর মুশফিকুর রহিমও খেই হারিয়ে ফেলেন হারিসের বলে। ৮৭ বলে ৫টি চারে ৬৪ রান করে ক্যাচ দেন উইকেট রক্ষকের হাতে। বলা যায় বাংলাদেশের ইনিংস মুশফিকের বিদায়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয়ে যায়। এরপর আফিফ হোসেনের ১২ রানের পর তাসকিন আহমেদ ০, শরিফুল ইসলামের ১ রান করে আউট হলে ৩৮.৪ ওভারে ১৯৩ রানে থামে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের পক্ষে ৪ উইকেট নেন হারিস। ৩ উইকেট নেন নাসিম শাহ এবং ১টি করে উইকেট নেন আফ্রিদি, ফাহিম ও ইফতিখার।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শরিফুল, হাসান, তাসকিনদের বলে বেশ বিপাকেই পড়ে দুই ওপেনার। প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে তোলে ৩৭ রান। নবম ওভারের শুরুতেই শরিফুলের বলে লেগ বিফোর হন ফখর (২০)।
তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা বাবরকেও বেশিক্ষন উইকেটে থাকতে দেননি তাসকিন আহমেদ। বাবর ১৭ করে বোল্ড হন তাসকিনের বলে। এরপর অবশ্য ইমাম-রিজওয়ানের জুটি দলকে নিয়ে যায় জয়ের অনেকটা দ্বারপ্রান্তে। ইমাম ৭৮ (৮৪) রানে বোল্ড করে থামান মেহেদী হাসান মিরাজ।
এরপর আর কোনো উইকেট দিতে হয়নি পাকিস্তানকে। রিজওয়ানের অপরাজিত ৬৩ (৭৯) রানে ভর করে ৩৯.৩ ওভারে ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় পাকিস্তান।
এমআর/