দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এশিয়া কাপে বরাবরই ভারত-পাকিস্তান ফেভারিট দল। ফেভারিটের তকমা নিয়ে শুরু করে প্রতিটি আসর। এছাড়াও দুই দলের ম্যাচ পায় বাড়তি গুরুত্ব। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলও (এসিসি) এমন ভাবে সূচি সাজায়, যাতে করে পাকিস্তান ও ভারত ফাইনালে উঠলে তিনবার মুখোমুখি হয়।
এসিসির লাভটা এখানেই। পাক-ভারত ফাইনাল খেললে ব্যবসায়িক দিক থেকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার মতোই অবস্থা হয়। যে কারণে অন্য দলগুলো চলে যায় লাইম লাইটের বাইরে। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান ছাপিয়ে গত আসরের সব আলো কেড়ে নেয় শ্রীলঙ্কা।
এমন কী ২০১২ সালে প্রথমবার ফাইনাল খেলা বাংলাদেশ ২০১৬ ও ২০১৮ সালে টানা দুইবার ফাইনালে খেলে। এরপর থেকে আর বাংলাদেশকে হিসেবে না ধরার কোনও যুক্তি নেই। এমনটাই মনে করিয়ে দিলেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা ওয়াসিম আকরাম।
রোববার এশিয়া কাপের টাইটেল স্পন্সরদের অনুষ্ঠানে গত আসরের স্মৃতি টেনে বলেন, ‘গতবার আমরা প্রেডিক্ট করছিলাম ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল হবে। কিন্তু শ্রীলঙ্কা কাপ জিতে নিয়ে গেছে। তিন দলই বিপদজনক। যেকেউ নিজেদের দিনে জিততে পারে।’
ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল হলে স্বাগতিক দেশ কিংবা এসিসিরি লভ্যাংশ বেড়ে যাবে বহুগুণ। তবে এবারের আসরে শ্রীলঙ্কা আর বাংলাদেশকেও বাদ দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘অন্যরাও আছে। গতবার শ্রীলঙ্কা চ্যাম্পিয়ন হলো। ভারত ফাইনালেও যেতে পারল না। ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জানি কত সমর্থন, কত নজর কত মানুষ অনুসরণ করে এই ম্যাচে। কিন্তু অন্যরাও খেলতে এসেছে। কাজেই আপনি শ্রীলঙ্কা বা বাংলাদেশকে হিসেব থেকে বাদ দিতে পারবেন না।’
পাকিস্তান স্বাগতিক হলেও নিজেদের ফেভারিট ধরতে পারছেন না ওয়াসিম। এমন কী ভারতকেও। গত কয়েক বছর ধরে ওয়ানডে ফরম্যাটে দারুণ উন্নতি করা বাংলাদেশকে নিয়ে তাইদারুণ আশাবাদী এই পাকিস্তানি সাবেক তারকা।
এমআর/