দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০০৬ সালে বাংলাদেশ দলে অভিষেকের পর থেকেই তামিম ইকবাল হয়ে ওঠেন দলের অন্যতম সদস্য। দিন যত গড়িয়েছে দলের নিজের জায়গা ততোই পাকা করেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
তবে লম্বা এই ক্যারিয়ারের প্রায় শেষের পথে দাঁড়িয়ে আছেন দেশ সেরা এই ওপেনার। গত মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায়ও বলে দিয়েছিলেন তামিম। তবে প্রধানমন্ত্রীর চাওয়ায় আবারও অবসর ভাঙার ঘোষণা দেন তিনি।
দলে ফেরার ঘোষণা দিলেও চোটের কারণে খেলা হচ্ছে না এশিয়া কাপে। দলে তামিমের মতো একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় না থাকাটা স্বাভাবিক ভাবেই চাপের।
তামিমের বদলে দলে জায়গা হয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। এছাড়াও রয়েছেন মাত্র ৪টি ওয়ানডে খেলা নাঈম শেখ।
এশিয়া কাপে তামিমকে কতটা মিস করবেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান? এমন প্রশ্নে সাকিব কৌশলী উত্তর দিলেও তামিমের অভাববোধটা ঠিকই করছেন সেটা স্পষ্ট।
‘যেকোনো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দলে থেকে তারা কতটুকু কন্ট্রিবিউট করে, এটার ওপর নির্ভর করে অনেক কিছু। অবশ্যই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের দাম আছে। অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দলে থাকলে কন্ডিশন সম্পর্কে এবং বড় বড় টুর্নামেন্ট সম্পর্কে জানা যায়... একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার যখন নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে...তখন সেটা সবার জন্য সুবিধা হয়, বিশেষ করে নতুনদের জন্যে।’
প্রায় ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে ৬টি এশিয়া কাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তামিম ইকবালের। ২০০৭-০৮ সালে ৫ ম্যাচে করেছিলেন ১৫৭ রান (১ ফিফটি)। ২০০৯-১০ সালে ৩ ম্যাচে ১০৭ রান (১ ফিফটি), ২০১১-১২ সালে ৪ ম্যাচে ৪টি অর্ধশতকে করেন ২৫৩ রান। ২০০৯-১০ সালে ৩ ম্যাচে করেন ১০৭ রান (১ ফিফটি)। ২০১৮-১৯ সালে ১ ম্যাচে ২* রান আর সবশেষ ২০০৯-১০ সালের এশিয়া কাপে ৩ ম্যাচে ১ ফিফটিতে করেন ১০৭ রান।
এমআর/