দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফজলুর রহমানের একটি বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। পরে ‘উদ্ভট ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী’ বক্তব্যের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএনপি। এবার এ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন সাবেক এমপি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। তিনি তার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানান।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাস দেন।
তিনি বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নেতা এবং দলকে যোনি, মলদ্বার, পুরুষলীঙ্গ, রুপি ও তর্জনীর কবল থেকে রক্ষার জন্য অশ্লীল মাস্টার মাইন্ডদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন। তার সঙ্গে লড়াই করার মতো শব্দ, ভাষা, বুদ্ধি, কৌশল এবং শক্তি প্রতিপক্ষের নিকট ছিল না। ফলে তারা ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলো। তারা ফজলুর রহমানকে আওয়ামী দোসর হিসাবে ট্যাগ দিতে আরম্ভ করলো। বলল সে বিএনপির আপদ। আর বিএনপি সেই ফাঁদেই পা দিলো।
সাবেক এই এমপি বলেন, বিএনপি নেতারা ভয়কে ভর করে ক্ষমতায় যেতে চায়। শত্রুকে তুষ্ট করে রাজনীতি করতে চায় এবং লড়াই না করে সমঝোতার পথে সফলতা খুঁজে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ২০০৬ থেকে আজ অবধি যে প্রতিকূল সময় বিএনপি পার করছে তা থেকে তারা শিক্ষা নেয়নি। কঠিন সময় যে শক্ত সামর্থ্যবান মানুষ তৈরি করে তার কয়জন এখন বিএনপিতে আছে। তা নাহলে শেখ হাসিনার ভয়ে পালিয়ে যাওয়া অশিক্ষিত, বর্বর, মুর্খ এবং মানসিক ভারসাম্যহীনরা বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ভিডিও বানাবে। আর এই ভয়ে দলীয় হাইকমান্ড শত্রুদের তুষ্ট করতে পাইকারি হারে একের পর এক শোকজ বহিষ্কার নাটক করে যেভাবে দলের সর্বনাশ করছে, তাতে করে দেশে আরেকটি নতুন জাতীয় পার্টি তৈরির সম্ভাবনা প্রকট হয়ে উঠেছে।
পরিশেষে গোলাম মাওলা রনি বলেন, আমি মনে করি এই মুহূর্তে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ইস্যু করা শোকজ প্রত্যাহার করা উচিত। তার বিষয়ে তদন্তের জন্য কমিটি করা উচিত। তাকে ভালো না লাগলে সম্মানজনকভাবে বিদায় জানানো উচিত।
আরএ