দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এক মহা ভয়াবহ ফিতনার নাম দাজ্জাল। এর মতো ভয়ংকর ফিতনা সৃষ্টির শুরু থেকে কিয়ামত পর্যন্ত আর নেই। কেয়ামতের আগে দাজ্জালের আগমন হবে। সত্য পথ থেকে মানুষদের বিচ্যুত করবে। তার এক চোখ কানা থাকবে। কপালের মাঝখানে কাফের লেখা থাকবে। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাজ্জালের ফেতনা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। উম্মতকে এ ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকতে দোয়া শিখিয়েছেন।
বিখ্যাত সাহাবি হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য এ দোয়া পাঠ করতেন,
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবিল কাবরি, ওয়া মিন আজাবিন্নারি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাতি, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ্দাজ্জাল।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে কবরের শাস্তি, জাহান্নামের শাস্তি, জীবন ও মৃত্যুর ফিতনা ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাই। (বুখারি: ১৩৭৭)
আরেকটি দোয়া নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে কোরআনের সুরা শেখাতেন ঠিক তেমনিভাবে দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচার জন্য এ দোয়াটিও শেখাতেন। দোয়াটি হলো-
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন ফিতনাতি মাসিহুদ দাজ্জাল। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে অভিশপ্ত দাজ্জালের ফেতনা থেকে আশ্রয় চাই। (বুখারি: ১৩৭৭)
মুসলমান হিসেবে সবারই পবিত্র কোরআন পড়া জরুরি। আর শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত শেখা ফরজ। কেউ যদি পুরো সুরা পাঠ করতে না পারে, সে অন্তত এ সুরার প্রথম ১০ আয়াত তেলাওয়াত করতে পারে।
হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। (মুসলিম: ৮০৯, আবু দাউদ: ৪৩২৩)
হাদিসে আরও আছে, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ ১০ আয়াত পড়বে সে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা পাবে। (মুসনাদে আহমদ: ৪৪৬/৬)
এস