দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবর্তনের ইতিহাসে দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক অনন্য মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
রোববার অস্ট্রেলিয়া বিএনপি আয়োজিত রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই সার্বভৌমত্বে আপোষহীন বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে হাজারো ছাত্র-জনতার ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, রক্তাক্ত সেই দিনগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিস্টদের নির্মম অত্যাচার, নির্যাতন, গ্রেপ্তার, হত্যা, গুম ও গণতন্ত্র ধ্বংসের পাশাপাশি একদলীয় শাসনব্যবস্থা চিরস্থায়ী করতে চেয়েছিল আওয়ামী লীগ। ছাত্র-জনতার দীর্ঘ আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদী হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন।
স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সিডনির লাকেম্বা লাইব্রেরি হল মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ও তাঁদের জন্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী।
বর্তমান সরকার প্রবাসীবান্ধব উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিশ্বের ১৭৬টি দেশে দেড় কোটির বেশি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। তাঁদের মর্যাদা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। বিগত সরকারের সময়ে প্রবাসীদের কল্যাণমূলক কাজ উপেক্ষিত ছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁদের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাসপোর্ট নবায়ন, বিমানবন্দরে সেবা, ভিসা ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করার বিষয় রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এসব সেবা নিশ্চিত করতে একাধিক মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্রধারী কোনো কর্মীর মৃত্যু হলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে মরদেহ দ্রুত দেশে আনা, বিমানবন্দরে গ্রহণ, স্বজনদের কাছে হস্তান্তর, দাফন সহায়তা ও আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে।
আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় বিএনপি ও অস্ট্রেলিয়া বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।
এমএস/