দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রলোভনে পড়ে যুদ্ধে অংশ না নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে মস্কোর বাংলাদেশ দূতাবাস। সম্প্রতি দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের জারি করা এক জরুরি সচেতনতামূলক বার্তায় এই সতর্কতা জারি করা হয়।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু অসাধু চক্র অতিরিক্ত অর্থ, বিদেশি নাগরিকত্ব ও উচ্চ বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীদের যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যাচ্ছে। শুরুতে পেছনের সারিতে কাজের ভুয়া আশ্বাস দেয়া হলেও বাস্তবে তাদের অধিকাংশকেই প্রতারণার মাধ্যমে ড্রোন হামলার মতো চরম ঝুঁকিপূর্ণ সম্মুখসারিতে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া যাচাই-বাছাই ছাড়া ‘সার্ভিস ভিসা’ ব্যবহার করে ভ্রমণ না করা এবং দূতাবাসের সত্যায়নহীন চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে চাকরি গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্রথমদিকে কম বেতন পাওয়ায় অনেকে বেশি আয়ের লোভে এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা তাদের ও তাদের পরিবারের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে আনতে পারে।
রাশিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত কমবয়সী শিক্ষার্থীদের ড্রোন পরিচালনা, সংযোজন এবং গোয়েন্দা কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধে ব্যবহার করার প্রমাণ মিলেছে। পড়াশোনার উদ্দেশ্যে বিদেশে গিয়ে এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়ানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া পার্টটাইম চাকরি করা রাশিয়ার আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ। এছাড়া ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান কিংবা এক কোম্পানির ভিসার বিপরীতে অন্য কোম্পানিতে কাজ করাও রুশ আইনে গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। মাদক সেবন বা যেকোনো ধরনের হয়রানিমূলক আচরণ থেকেও প্রবাসীদের কঠোরভাবে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
দূতাবাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে আইন লঙ্ঘনকারী প্রবাসীদের কোনো আইনি সহায়তা দেয়া হবে না। তাই সবাইকে সব ধরনের প্রলোভন ও যুদ্ধ থেকে দূরে থেকে নিরাপদ ও বৈধ কর্মসংস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনও ধরনের সন্দেহজনক প্রস্তাব পেলে বা আইনি জটিলতায় পড়লে অবিলম্বে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
কে