দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী বছরের শুরুতে পুরো এলিভেটেড এক্সপ্রেস খুলে দেওয়া হবে। রাতারাতি যানজট কমানো সম্ভব না, মেট্রোরেল এবং এলিভেটেডের সব কাজ শেষ হলে যানজট কমে যাবে।
বুধবার (২০ মার্চ) সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের এফডিসি অংশের ডাউন র্যাম্প উন্মুক্ত করন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজের গতি কম নয়। পদ্মা সেতুসহ সব প্রকল্পে আমরা দিন রাত কাজ করেছি। এটিতেও করা হচ্ছে, চলতি বছরের জুনে এটির কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ডিসেম্বরের মধ্যেও কাজ শেষ হবে না। কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে, এতে আমাদের অবহেলা নেই। বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে ফান্ডিং, যন্ত্রপাতি নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। আগামী বছরের শুরুতে এটি খুলে দিতে পারব। তবে কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত নয়। আমি একটু সময় নিলাম, তার আগে কাজ শেষ হতে পারে। এখানে কাজের অগ্রগতির বিষয়ে অবহেলার কিছু নেই।
তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত, এটা তাদের সঙ্গে কারেন্সি ও ফান্ডিংয়ের অর্থ, সময় মতো ছাড় হওয়া নিয়েও নানা কারণে দেরি হচ্ছে। এতবড় একটি প্রকল্পে কাজ দেরি হওয়া, এটি স্বাভাবিক। কাজেই এটিকে অনাদরে অবহেলায় করা হচ্ছে, এটা মনে করা সমুচিত না। রোজা শুরুর পর থেকে তীব্র যানজট; একটা সময় পর্যন্ত থাকবেই। ইফতারের পর তো থাকছে না। যাতায়াতে স্বস্তি দিতে শুরু করেছি। ঢাকার যানজট নিরসন করা; রাতারাতি তো সবকিছু সম্ভব নয়। সব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে যানজট কমে আসবে। ভাঙাচোরা ও লক্কড়-ঝক্কড় ফিটনেসবিহীন গাড়িতে রাস্তা ভরপুর। এর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি কী মন্ত্রী হয়ে গাড়ি রঙ করব। লক্কড়-ঝক্কড় বাস বন্ধ করলে সাংবাদিকরাই বিক্ষোভ করবেন। আমাদের শাখের করাতের অবস্থা। রিপ্লেসমেন্ট হওয়ার আগে এগুলো বন্ধ করলে জনগণ কষ্ট পাবে। ১২ বছরে আমরা কম কাজ করিনি। সারাদেশে এখন অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আমাদের অপবাদ দেবেন না। বিআরটি প্রকল্পে আমাদের গাফিলতি নেই। ডিসেম্বরে বিশেষায়িত বাস চলে আসবে। এরপরই এ প্রকল্পের সুফল পাবে মানুষ। কাজ হচ্ছে না, বলার সুযোগ নেই। ডিসেম্বরেই চালু হবে। তবে ভারত থেকে বিদ্যুৎ চালিত বাস আনার বিষয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে। তাদের নির্বাচনের কারণে দেরি হচ্ছে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, সেতু বিভাগের মো. মনজুর হোসেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আকতার উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর, বনানীসহ বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে উঠে এ র্যাম্প দিয়ে নেমে যাওয়া যাবে কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, মগবাজার, মিন্টো রোডসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায়।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। র্যাম্পসহ এর দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। পুরো কাজ শেষ হলে মোট ৩১টি র্যাম্প দিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন ওঠানামার সুযোগ হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছর ২ সেপ্টেম্বর এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম অংশ উদ্বোধন করেন।
কে