দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দল কে হবে সে বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইইউ নির্বাচন বিশেষজ্ঞ দল। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট ইইউ দলের নেতৃত্ব দেন ডেভিড ওয়ার্ন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা আমাদের আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দলের বক্তব্য শুনেছেন। বাংলাদেশের বাস্তবতা এই নির্বাচনটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচনটা আমাদের করতে হয়েছে। ২৭টার মতো দল আছে, এক হাজার ৮৯৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। এসব বিষয় তারা পজিটিভ নিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দল কে হবে, সেই বিষয়ে ইইউ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি, ভোটের ফলাফলই বলে দেবে কারা হবে বিরোধী দল। তারা বলার চেয়ে শুনতে আগ্রহী ছিলেন বেশি। মন্তব্য তারা তেমন করতে চাননি। আমরাও ইনসিস্ট করিনি। আমরা আমাদের ইলেকশন নিয়ে কথা বলেছি।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভয়ভীতি এসব আছে। তারপরও আমরা বলেছি ভোটের টার্ন আউট সন্তোষজনক হবে। মানুষের আগ্রহ আছে। সারাদেশের ভোটারদের মধ্যে যা লক্ষ করা যাচ্ছে, তাতে করে টান আউট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় দল, টার্ন আউট নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। পৃথিবীর গণতান্ত্রিক দেশের স্ট্যান্ডার্ড বজায় থাকবে সেটাই আমরা বলেছি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ভায়োলেন্স নিয়ে তারা জানতে চেয়েছে। আমরা বলেছি, ভায়োলেন্স তো হচ্ছে। পিসফুল নির্বাচনের জবাব দিচ্ছে ভায়োলেন্স দিয়ে।
কাদের বলেন, পাঁচ বছর পরপর ইলেকশন করা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। নির্বাচিত সরকার, নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে, এটাই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) আসলে মাথাব্যথা ইউক্রেন নিয়ে, গাজা-ইজরায়েল-ফিলিস্তিন নিয়ে। কাজেই শক্তিধররা বেশি ঘামাচ্ছেন এসব নিয়ে। কঙ্গোতে একটা ইলেকশন হইছে, কারও সাথে কারও যোগাযোগ নেই। ফলাফল হয়ে গেছে। পাকিস্তান ভালো ডেমোক্রেসির উদাহরণ, এটা কেউ বলবে না।
কাদের বলেন, তাদের কোনো কনসার্ন নাই। ইলেকশন নিয়ে প্রস্তুতি কী জানতে চেয়েছে। কনসার্স থাকলেও সেটা তাদের মনে আছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, সে অধিকার দেওয়া হয়েছে। যে স্বতন্ত্র ইলেকশন করছে, সে যদি আওয়ামী লীগের হয় তার সাথে অন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাজ করে তাহলে কোনো সমস্যা দেখি না। আমরা নতুন এক্সপেরিয়েন্স বিশ্বকে দেখাতে চাচ্ছি। জনমত নিয়ে এটাও ডেমোক্রেসি।
এই নির্বাচনে বিএনপির স্বতন্ত্রও আছে জানিয়ে তিনি বলেন, স্বতন্ত্র শুধু আওয়ামী লীগের কি না। বাইরেরও কে কে আছে। অনেকে বিএনপি থেকে এসে হইছে। বেশিরভাগ আওয়ামী লীগের না। স্বতন্ত্র শুধু আওয়ামী লীগের না।
আসন ভাগাভাগি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা কাউকে সাপোর্ট দিতে পারি না? দিই তো। কোথাও কোথাও ১৪ দলের নৌকা দিয়েছি। সেখানে আমাদের সাপোর্টের বিষয় তো আছেই। বিএনপি বলবেই ভাগাভাগি। তারা নিজেরাই তো ভুয়া হয়ে গেছে। ভুয়ারা কত কথাই বলবে।
ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ নিয়ে আমাদের কোনো দুশ্চিন্তা নেই। ইলেকশন নিয়ে আমাদের একটা.... যারা দেখতে নারী তার চলন বাঁকা। এই ইলেকশনে তো তারা নেই। তাই এই ইলেকশনের চলন বাঁকা।
ডিপি/