দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আগামী ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিবছরের মতো এবারও টঙ্গীর তুরাগ তীরে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লির সমাগম হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাদপন্থি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। দুই পর্বের ইজতেমাই টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হবে।
ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে ৮ জানুয়ারি, শুক্রবার। তিন দিনব্যাপী এ পর্ব শেষ হবে ১০ জানুয়ারি, রোববার। এরপর পাঁচ দিন বিরতির পর ১৫ জানুয়ারি, শুক্রবার শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব। দ্বিতীয় পর্ব চলবে ১৭ জানুয়ারি, রোববার পর্যন্ত।
প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিটি পর্বে ধর্মীয় বয়ান, নামাজ, তাসবিহ-তাহলিল, দোয়া ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে সময় কাটাবেন মুসল্লিরা। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা তাবলিগের সাথিরাও এতে অংশ নেবেন।
বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশাল অস্থায়ী নগরী গড়ে ওঠে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে আসেন। বিদেশ থেকেও বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা এতে অংশ নেন।
ইজতেমা উপলক্ষে ময়দানে মুসল্লিদের থাকা, খাবার, পানি, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে।
২০২৭ সালের ইজতেমাকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যায়ক্রমে প্রস্তুতি নেবে। মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ময়দানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি এবং স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইজতেমার সময় টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
বিশ্ব ইজতেমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন আখেরি মোনাজাত। প্রতিটি পর্বের শেষ দিনে অনুষ্ঠিত এ মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়। দেশ ও বিশ্বের মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও বিশেষ দোয়া করা হয়।
তবে ইজতেমার চূড়ান্ত আয়োজন, স্থান, নিরাপত্তা, যাতায়াত ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত নির্দেশনা পরবর্তী সময়ে জানানো হতে পারে।
এমএম/