দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নেপালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর অন্তত ৯৮ জন নিহত এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের বেশিরভাগই পর্যটক।
এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘নেপালে বিধ্বংসী বন্যায় প্রাণহানির খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও ব্যথিত। বাংলাদেশের জনগণ এবং সরকারের পক্ষ থেকে আমি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন শাহ ও দেশটির জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
‘যারা প্রাণ হারিয়েছেন এবং যাদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তাদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি ও প্রার্থনা রইল। এই চরম বিপদের সময়ে নেপালের যেকোনও প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি’-যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যমতে, নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের পর্যটকও রয়েছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে উজানে আটকে থাকা নদীর বাধা। এতে দ্বিতীয় দফা বন্যার আশঙ্কায় সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যসহ অন্তত ৮৫ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮৪ জনে। তাদের মধ্যে ৩৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালের নাগরিক। তবে এখনো কতজন স্থানীয় বাসিন্দা নিখোঁজ রয়েছেন, তা জানা যায়নি।
বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অবকাঠামোরও। এখন পর্যন্ত ১৯টি সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়ক নষ্ট হয়েছে।
সীমান্তের অপর পাশে চীনের তিব্বতের জিরং এলাকাতেও বন্যার ভয়াবহতা দেখা গেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, সেখানে অন্তত তিনজন নিহত এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো যাচাই করা হচ্ছে।
/অ