দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
সোমবার (৩ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এ সময়সীমা পরিবর্তন হতে পারে।
তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন-সংক্রান্ত আইনে কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দুই নির্বাচন কমিশনার দেশে ফিরলে এসব প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।
অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত সাধারণত ৪৫ দিন সময় লাগে। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও মুদ্রণসহ পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন মাসের প্রস্তুতি প্রয়োজন হয়। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ হয়নি। তবে বিধিমালা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই প্রস্তুতি চলছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ জানান, নিবন্ধিত ৫৯টি দলের মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অডিট প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এবং আটটি দল কোনো সাড়া দেয়নি। সাড়া না দেওয়া দলগুলোকে আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এমএম/