দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শহীদ সাংবাদিক সাগর-রুনি দম্পতি, আসাদুজ্জামান তুহিন, গোলাম রব্বানী নাদিম, শেলু আকন্দসহ বিগত সময়ে নিহত ৪৩ জন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার, সাংবাদিক নির্যাতন-হামলা বন্ধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম শাকিল সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দ।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান। প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সাধারণ সম্পাদক জাওহার ইকবাল খান।
এ সময় বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক সমিতির (বানাসাস) সভাপতি নাসিমা আক্তার সোমা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম সংহতি প্রকাশ করেন।
এছাড়া ডিইউজের দপ্তর সম্পাদক আল-আমিন, সদস্য রাজু আহমেদ, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রফিক, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ, দৈনিক নতুন কাগজের সম্পাদক জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিজ মাহবুব, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মেস সংঘের মহাসচিব মো. আয়াতুল্লাহ আখতার এবং বিপিজেএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাহাবুব আলম বাবু, এফ রহমান রুপক ও আইনবিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবুলসহ সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন ও হামলার ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আলোচিত বহু হত্যাকাণ্ডের বিচার বছরের পর বছর ঝুলে থাকায় অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
বক্তারা সাগর-রুনি, গোলাম রব্বানী নাদিম, আসাদুজ্জামান তুহিন, শেলু আকন্দসহ সব নিহত সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, হামলা ও হয়রানি বন্ধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।
কর্মসূচির শেষে নিহত সাংবাদিকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
জে আই