দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর পল্লবী থানার একটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পরে তাকে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পল্লবী থানার একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে আদালতের ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সুব্রত দেবনাথ জানান, সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে মিরপুরের ইসিবি চত্বর এলাকায় মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কর্মকর্তারা প্রথমে সাহেদকে আটক করেন। বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশের নজরে এলে উভয় পক্ষকে ইসিবি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
তিনি বলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, চেক জালিয়াতির অভিযোগে পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে সাজাসহ আদালতের ওয়ারেন্ট রয়েছে। বিষয়টি পল্লবী থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়ার পর দুপুর ১টার দিকে তাকে সংশ্লিষ্ট থানার একটি দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
করোনাভাইরাস মহামারির সময় ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ প্রদান ও প্রতারণার অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ আলোচনায় আসেন। ২০২০ সালের ৬ জুলাই র্যাব উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়। পরদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে হাসপাতালটি সিলগালা করা হয় এবং সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
ওই বছরের ১৫ জুলাই ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তিনি কারামুক্ত হয়েছিলেন।
এমএম/