দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে থাকা বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (২০ জুলাই) সকালে দুদকের একটি দল বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে সেখানে থাকা মালামালের জব্দ তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু করে।
দুদকের মুখপাত্র তানজীর আহমেদ অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাড়িতে থাকা বিভিন্ন সামগ্রীর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এর আগে, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরও আগে, ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

দুদকের মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জিয়াউল আহসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা ও উত্তোলন এবং স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হিসেবে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

জিয়াউল আহসান সর্বশেষ জাতীয় টেলিযোগাযোগ নজরদারি সংস্থা ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এমএম/