দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম চার মাসে নির্বাচনী ইশতেহারের কয়েকটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়াকে সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখলেও গণঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক ও দার্শনিক সারবস্তু অনুধাবনে অনীহাকে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা বলে মনে করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
সংগঠনটির মতে, গণঅভ্যুত্থানের চেতনা উপেক্ষা করলে সরকারের দৃশ্যমান সাফল্যও ম্লান হয়ে যেতে পারে।
রোববার (২১ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বর্তমান সরকারের চার মাস: প্রত্যাশা, অর্জন ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলে সুজন। আলোচনা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলিপ কুমার সরকার।
দিলিপ কুমার সরকার বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান ও মানসম্মত জীবনযাপন নিশ্চিত করা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও দাবির প্রতি আন্তরিক না হলে তরুণ সমাজের সমর্থন ধরে রাখা কঠিন হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুসরণ, মেধাভিত্তিক নিয়োগ, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা, নারী ক্ষমতায়ন ও গণতান্ত্রিক সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায় সরকারের জড়তা উদ্বেগজনক।
দিলিপ কুমার সরকার উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দলের ক্ষমতায় আরোহনের সিঁড়ি ছিল না, বরং রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তোলার ঐতিহাসিক আহ্বান। প্রথম ১২০ দিন যদি সেই আহ্বান উপেক্ষা করে, তাহলে জনগণের প্রত্যাশা হতাশায় পরিণত হবে।
এমএম/