দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বর্তমান সৌরনীতি ও এসআরও অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ)।
রোববার (১৪ জুন) সকালে রাজধানীর ডিআরইউতে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা জানান সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা বর্তমান এসআরও সংশোধন করে আমদানি শুল্ক অব্যাহতিসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে খাতসংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদনে রেয়াতি সুবিধা ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
তবে বিএসআরইএ নেতারা বলছেন, প্রস্তাবিত বাজেট ও এসআরওতে সুবিধা মূলত রেসকো, ওপেক্স মডেল ও পিপিএভিত্তিক কিছু প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমিত রাখা হয়েছে। বর্তমান এসআরও সংশোধন করলে শিল্পকারখানার ছাদের মাত্র ২৫ শতাংশ ব্যবহার করে ২০৩০ সালের মধ্যে ৬ থেকে ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
খাতসংশ্লিষ্ট নেতারা আরও জানান, মোট বিদ্যুতের ৬৩ শতাংশ ব্যবহারকারী আবাসিক, ক্ষুদ্র-বাণিজ্যিক, কৃষি ও গ্রামীণ গ্রাহকদের জন্য সমান প্রণোদনা ও কর সুবিধা উন্মুক্ত করা উচিত।
তারা আশঙ্কা করেন, নীতি ও এসআরওতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না আনলে সরকারের সৌরবিদ্যুৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
এমএম/