দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। এ বিষয়ে জনমনে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে (২০২৬-২৭) অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
এসময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান প্রমুখ।
এক প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়না নামা উপস্থাপন করতে পারলে তারা নিয়মিত হারে মূলধনী মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পান।
তিনি বলেন, এবার একই ধরনের একটি সুবিধা সম্পত্তি বা ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল। কারণ অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে ফ্ল্যাট বা স্থাবর সম্পত্তি নিবন্ধন করা হয়। পরে কর কর্তৃপক্ষ প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে পারলে ক্রেতাদের অতিরিক্ত কর ও জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়।
এই পরিস্থিতিতে স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রকৃত মূল্য ঘোষণা করলে নিয়মিত করের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০ শতাংশ কর পরিশোধের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল বলে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। তবে এ ধরনের বিধান নিয়ে আপত্তি থাকলে সরকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এমএম/