দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, কাউন্টারে নয়, মাঝপথের যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যাত্রীরাও যেকোনো মূল্যে যেতে চান।
বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীতে বিআরটিএর কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সড়কে কিছু চাপ রয়েছে, তবে ভালো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আবহাওয়ার জন্যও বেশ সমস্যা হচ্ছে। গতকাল ৫৭ হাজারের বেশি গাড়ি যমুনা সেতু পার হয়েছে। এতেই বোঝা যায় গাড়ি চলাচল করতে পারছে।’
তিনি বলেন, ‘টিকিট কাউন্টারে বসে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিয়েছে এরকম নজির আমি এখনো পর্যন্ত পাইনি। দু-এক জায়গায় আড়ালে করছে হয়তো। আমরা অভিযোগ পেলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
রবিউল আলম বলেন, ‘যাত্রীদের একটা প্রবণতা রয়েছে, অনেকে আগে টিকিট করতে চান না। কখন ছুটি হবে তাও তিনি জানেন না। ছুটি হয়েছে মাত্র লাগেজ নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। যেকোনো বাস পেলেই ওঠার চেষ্টা করছেন। তখন কিছু মানুষ ভাড়া একটু বেশি নেওয়ার চেষ্টা করে। তখন যাত্রীরা ভাবেন ১০০ টাকা বেশি হোক সমস্যা নেই, আকাশের অবস্থা খারাপ, উঠে পড়লেই চলে, যাওয়া দরকার।’
নগরবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবহন খাত পর্যাপ্ত সক্ষম না। প্রয়োজনের তুলনায় গাড়ি কম। পরিবহন খাতকে মাল্টিমোডাল সিস্টেমে চালানো গেলে মানুষ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় একটা স্বস্তিদায়ক যাত্রা পেত। এজন্য মনোরেলের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’
মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৩৫ লাখের মতো শ্রমিকের ছুটি হয় ঈদের দুদিন আগে। ফলে বাড়ি যাওয়ার জন্য তারা একদিন সময় পায়। এরা যখন রাস্তায় এসে যেকোনো মূল্যে যেতে চায় তখন পরিবহন ব্যবস্থাপনা প্রায় ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়।’
কেএম