দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় রাজধানী ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে লাখো মানুষ ছুটছেন গ্রামের বাড়ির পথে। এতে চিরচেনা ব্যস্ত নগরী ঢাকায় কমেছে যানবাহনের চাপ, মিলেছে স্বস্তির নিঃশ্বাস।
ঈদকে কেন্দ্র করে ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। দীর্ঘ এ ছুটির সমন্বয়ে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ছুটি শেষে আগামী ১ জুন সোমবার থেকে অফিস-আদালত ও ব্যাংকের কার্যক্রম আবারও স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর গুলিস্তান, মগবাজার, বাংলা মটর, মিরপুর, বনানী ও খিলক্ষেতসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সাধারণ সময়ের তুলনায় যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। যেসব সড়কে প্রতিদিন দীর্ঘ যানজট দেখা যায়, সেসব এলাকার বেশিরভাগ রাস্তাই ছিল প্রায় ফাঁকা।
বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসগুলোকে দীর্ঘ সময় স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে যাত্রীর অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অনেক বাস কম যাত্রী নিয়েই চলাচল করছে। পরিবহনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই যাত্রীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।
গুলিস্তান-উত্তরা রুটে চলাচলকারী বাসের কর্মীরা জানান, সাধারণ দিনে সকালে বাসে দাঁড়ানোর জায়গাও থাকে না। তবে এখন দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও বাস পূর্ণ হচ্ছে না। অধিকাংশ মানুষ রাজধানী ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীচাপ অনেকটাই কমে গেছে।
অন্যদিকে, গণপরিবহন কম থাকলেও ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের চলাচল তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে। বিশেষ করে প্রাইভেটকারের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো।
সড়কে যানবাহনের চাপ কম থাকায় অধিকাংশ এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। অনেক স্থানে যান নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়তে হয়নি তাদের।
কেএম