দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধিত নয়– এমন ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা কার্য পরিচালনার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএমডিসি।
অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে তাকে ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছে। তবে ডা. খালিদুজ্জামান দাবি করেছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে হেয় করার চেষ্টা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিএমডিসির রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, ডা. এসএম খালিদুজ্জামান তার প্রচারপত্রে নামের পাশে ‘এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলোজি অ্যান্ড প্রি-ইমপ্ল্যানটেশন জেনেটিক্স (ভারত)’ ডিগ্রি উল্লেখ করে চিকিৎসাকার্য পরিচালনা করছেন–এমন অভিযোগ কাউন্সিলের কাছে আসে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত নয়– এমন ডিগ্রি ব্যবহার রোগীর সঙ্গে প্রতারণার শামিল এবং এটি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইনের পরিপন্থি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ বিষয়ে অভিযোগকারী আবদুল কাদের নামের একজন ব্যক্তি প্রচারপত্রের কপিসহ কাউন্সিলকে অবহিত করেন।
এ বিষয়ে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার ডা. মো. লিয়াকত হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের কাছে একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভেরিফিকেশন করে দেখা গেছে, এমবিবিএস ডিগ্রির পর ডা. খালিদুজ্জামানের অতিরিক্ত কোনো ডিগ্রি বিএমডিসিতে নিবন্ধিত নেই। সে কারণেই তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়ার পর বিষয়টি আইন ও বিধি অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হবে।
এদিকে, শোকজ নোটিশ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, প্রথমত একজন এমবিবিএস পাস ডাক্তার যদি কনফিডেন্ট ফিল করেন, তাহলে তিনি কাজ করতে পারেন। দ্বিতীয়ত আমার যে সাবজেক্ট–ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলোজি–এটা বাংলাদেশে নেই, শুধু বিদেশে আছে, তাও খুব কম দেশে।
তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে এই কাজের যা কিছু হয়, তার প্রায় ৮০ শতাংশ আমার হাসপাতালেই হয় এবং আমিই করি। এই কাজের সাকসেস রেট নিয়ে আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি–অন্যদের কাছে এর ২০ শতাংশও নেই।
ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে ডা. এসএম খালিদুজ্জামান বলেন, আমার কোনো পরিচয়পত্রে বা হাসপাতালের অফিসিয়াল ডকুমেন্টে এই ডিগ্রি ব্যবহার করা হয়নি। তবে একটি প্রমোশনাল ভিডিওতে ডিগ্রিটি ব্যবহার হয়েছে, এটা আমার নজরে এসেছে। এটি বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানের ভুল। এটা কোনো গুরুতর বিষয় না। যেহেতু এই ডিগ্রিটি বাংলাদেশে নেই, তাই আমরা অনুমোদনের জন্য বিএমডিসিতে আবেদন করব।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ এনে ডা. খালিদুজ্জামান জানান, বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার ভাষায়, আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শাকসু নির্বাচন স্থগিতসহ নানা ইস্যুতে তারা কোনো কূল না পেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঘাড়ে বন্দুক রেখে কাজ করানোর চেষ্টা করছে। এটা স্রেফ রাজনৈতিক কারণেই করা হচ্ছে।
কে