দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড শেয়ার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি নিজের ফেসবুক পেজ ও এক্স হ্যান্ডল থেকে এ ফটোকার্ড প্রকাশ করেন।
ফটোকার্ডে লেখা রয়েছে, ‘গণভোট ২০২৬- দেশকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথ খুলে দিন ‘হ্যাঁ’তে সিল দিন।’ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে নিয়মিতভাবে এ ধরনের ফটোকার্ড শেয়ার করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম চলবে আগামীকাল রবিবার (১৮ জানুয়ারি) পর্যন্ত।
এদিকে অন্যান্য উপদেষ্টারাও দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সরকারিভাবেও গণভোটে সমর্থন আদায়ে প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রার্থীরাও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার পাশাপাশি গণভোট নিয়েও প্রচার চালাচ্ছেন।
চারটি বিষয়ের ওপর এ গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা। পাশাপাশি আগামী সংসদকে দুই কক্ষবিশিষ্ট করার প্রস্তাব রয়েছে, যেখানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে ওই উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
এছাড়া সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ৩০টি প্রস্তাবে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে। পাশাপাশি জুলাই সনদে উল্লেখিত অন্যান্য সংস্কারও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে।
এমএস/